অ্যানালগ কম্পিউটার ও ডিজিটাল কম্পিউটারের মধ্যে পার্থক্য কি?

কম্পিউটার বিশ্বে দুটি মূল ধরণ আছে – অ্যানালগ কম্পিউটার এবং ডিজিটাল কম্পিউটার। এই দুটি কম্পিউটারে প্রযুক্তি একই নয়। অ্যানালগ কম্পিউটার মূলত স্কেল করা এবং যথার্থ তথ্য পড়া এবং লিখা এর উপর ভিত্তি করে কাজ করে। আর ডিজিটাল কম্পিউটার মূলত সংখ্যা এর উপর ভিত্তি করে কাজ করে।

সংখ্যা বিশেষ করে 0 এবং 1 হলো এটির ভিন্নতার কারণ। যেহেতু আমরা স্কেল করা তথ্য আসলে সংখ্যার সেটিংস ব্যবহার করে ট্রান্সফার করে থাকি, তাই ডিজিটাল কম্পিউটারের ব্যবহার আমাদের বেশি পছন্দ হয়। এটি উচ্চ নিরবতা নিশ্চিত করে এবং আমাদের বিভিন্ন কাজে সেটি ব্যবহার করা যায়।

কম্পিউটারের প্রথম দিকে নজর ফেলা

কম্পিউটার যে একটি মেশিন যেখানে ডাটা সংরক্ষণ করা হয় এবং যেটি প্রথমবারের মতো সংজ্ঞায়িত হয়েছিল অবশ্যই সেটি আজকের প্রযুক্তির মান ধরে বহন করে চলছে। বইপত্র থেকে বেশি বিশ্বাস করা হতো প্রথম কম্পিউটার ব্যবহারে বিশেষ মানের সংশ্লিষ্টতা পড়া নেই, কিন্তু ইতিহাসের প্রাচীনতম কম্পিউটারগুলি সম্পূর্ণরূপে চাকরী করতে না পারা সমস্যার সমাধানের জন্য ব্যবহৃত হতো। প্রথমেই হিস্টোরিতে উল্লেখযোগ্য Charles Babbage-এর নাম দাঁড়াতে হবে। তিনি প্রথম প্রোগ্রামিং মেশিন উদ্ভাবন করেছিলেন এবং তাদের তথ্য প্রসেসিং সিস্টেমটি আজওও ব্যবহৃত হয়।

প্রথম কম্পিউটারের মূল উপাদান ছিল গণনাসামগ্রী এবং যেকোনো ডাটা সঞ্চয় করানো আরেকটি কম্পিউটারের সাথে তা যুক্ত করানো।

এ কথা কি?

কম্পিউটার একটি মেশিন যা আজকাল অত্যন্ত প্রয়োজনীয় এবং এর কাজের প্রভাব মানে রয়েছে। কিন্তু কম্পিউটার এর রচনা ও অবস্থান এতদিন পর পর উন্নয়ন এর সাথে হয়েছে। কম্পিউটারের প্রথম দিকে যখন নজর ফেলা হয়, তখন এটি অন্যথায় কাজ করত। ১৯ শতাব্দীর শুরুতে পাঞ্জাব অঞ্চলে পশ্চিমবংশের একজন মহিড়াল শ্রী চন্দ্র সূর্য থাকেন।

সে একখানা মেশিন তৈরি করেন। এতে একটিং ডেটা স্টোর করা যায় এবং এটি সাধারণ কম্পিউটার সম্পর্কে অবগতি সৃষ্টি করত। সেই মেশিন একটি কার্ড রিডার ব্যবহার করে যা পাঞ্জাব এ্যাগ্রিকাল্চার ইনস্টিটিউটে রয়েছে। ফলে সে গবেষণা করতে পারেন এবং সাধারণ জনগনের কাছে তার কাজের অবস্থান এর প্রভাব নিয়ে অবগতি সৃষ্টি করতে পারেন।

তখন থেকেই কম্পিউটার কাজ করতে শুরু হয়। সেই একজন মহিড়াল এর কারণেই আজকে অধিকাংশ ব্যাখ্যামূলক কম্পিউটার সম্পর্কে জানতে পারছি। এটি সবসময় তৈরি হওয়ার পর হাজার হাজার মানুষ তার ব্যবহার করে এবং সেটির মাধ্যমে তারা নিজেদের জীবনস্তর বেঁচে থাকছেন। আমরা যদি ডিজিটাল জমা একটি ভাইরাস দেখি তখন সেটির জন্যই কম্পিউটারের ইতিহাস তৈরি হয়েছে।

তাই, একটি মেশিনের সবচেয়ে প্রথম দিকে নজর ফেলার মাধ্যমে আমরা বুঝতে পারছি যে কম্পিউটার এর কাজ কি এবং এর মাধ্যমে কীভাবে আমরা আজকের জীবনে সুবিধাজনক কম্পিউটার ব্যবহার করতে পারছি।

অ্যানালগ কম্পিউটার কি?

কম্পিউটার মানেই সংখ্যার ক্যালকুলেশন বা গণনা করে কিছু আউটপুট দেয়া। কিন্তু কম্পিউটারের আগমন পূর্ব উল্লেখিত ব্যতিক্রমের মাঝে ঘটে একটি মার্গদর্শক ঘটনা মূলত ঝালার দাম ক্যালকুলেশনের মাধ্যমে সম্পন্ন হতে থাকতো। আবার বিজ্ঞানীরা ক্যালকুলেশন করার জন্য বিভিন্ন যন্ত্রাংশ ব্যবহার করতেন। এই সব মিলিয়ে কম্পিউটার বোর্ড বা একটি লক্ষ্য বা একটি এনালগ কম্পিউটার উদ্ভব হয়।

একটি এনএমআই-বিভিন্ন এনএমআই-Cএবং ব্রেডব্যান্ড এলএএ প্রমাণ করেছে যে অ্যানালগ কম্পিউটার কী হল একটি উপকরণ, যা বিভিন্ন ফাংশন সম্পাদনের মাধ্যমে বেশি দক্ষ করে কাজ করতে পারে।

See also  কম্পিউটারের বিবর্তনে ইলেকট্রনিক যুগ সম্পর্কে আলোচনা কর
সাধারণত এই প্রকারের কম্পিউটারের ব্যবহার অধিক সাধারণত মুদ্রা নিক্ষেপ ও অাট থাকার জন্য করা হন। এই ধরণের কম্পিউটার ব্যবহার হতে পারে সমস্যা সমাধানে, ডেটা প্রসেসিংে এবং রকমরকম প্রমাণপত্রে এবং মুদ্রাকাজের জন্য। সর্বশেষ আগমন জনপ্রিয়তা লাভ করছে বড় ভলিউম ডেটা সম্পাদনের জন্য এসএসডি (সেমিকন্ডাক্টর ডিস্ক) এবং ক্যাসেট।

একটি অ্যানালগ কম্পিউটারের ক্ষুদ্রতম বৈশিষ্ট্যগুলি হল এর সুইচ বিষয়ক মূল্য হিসাবে কাজ করতে হয়। মোটামুটি বলতে পারি অ্যানালগ কম্পিউটার কাজ করতে ফাঁকা বা খালি নন, কেননা এটিতে বিভিন্ন সাধনা এবং উদাহরণ গণনার জন্য একজন মেশিন অপারেটরের প্রয়োজন হত। অ্যানালগ কম্পিউটার সম্পাদন করার জন্য ইলেকট্রিক্যাল সার্কিট হ্রাস চলাকালীন হয় এবং এর ব্যবহারের সময় একজন অপারেটরকে ফল দেবার জন্য আবশ্যক হতো উদাহরণ আপলোড করা। একটি অ্যানালগ কম্পিউটারে কাজ করে একটি ছোট্ট বড় উদাহরণ দেওয়া হয় ফলস্বরূপে কম্পিউটার শেষ করে অনেক গণনা সম্পাদন করে।

এই প্রকারের কম্পিউটার ব্যবহার করে কিছু সাম্প্রদায়িক প্রযুক্তি সম্প্রসারিত হয়, যেমন টেলিফোনিক লাইন, টেলিভিশন এবং বহুল সংখ্যক ডেটা সম্পাদনের জন্য। উপোসংহতিতে বলা যাক যে অ্যানালগ কম্পিউটার এখনও কম্পিউটার সাংস্কৃতিকরণের বিভিন্ন আসর।

ডিজিটাল কম্পিউটার কি?

কম্পিউটার একটি মেশিন যা একটি অদ্ভুত সাপেক্ষ তথ্য প্রদান করে। ডিজিটাল কম্পিউটার সম্পূর্ণ ইলেকট্রনিকভাবে কন্ট্রোল হয় এবং একটি উপরিভাগ সংযোজিত হয় যা অন্য উপরিভাগের মধ্যে নির্দিষ্ট কার্যগুলি প্রসারিত করে। এটি অনেক গুরুত্বপূর্ণ ইংরেজিতে “Central Processing Unit” বা সিপিইউ বলা হয়। ডিজিটাল কম্পিউটারের নিউক্লিয়াস হল নাম্বারকে বিন্যাস করা।

এর কাজ হল নাম্বারগুলি ধারণ করা এবং তাদের পরিচয় নির্দিষ্ট করা। এই তথ্যগুলির উপর কিছু চর্চা করতে হলে, একটি লগিক বিবেচনা সঞ্চালন করা হয় এবং অন্য উপরিভাগে ফলাফল কার্যকর করে। ডিজিটাল কম্পিউটার হল একটি প্রকার মেশিন যা ধর্মীয় এবং অনুকূল উপকরণ প্রদর্শন করে। এটি অসামান্য গুণগত বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন, প্রস্তুত এবং বিশ্বস্ত ইলেকট্রনিক মেশিন।

এটি মানবের জীবনযাত্রার বিভিন্ন সেটিংসে ব্যবহৃত হয়। নতুন দিনে মানব একটি নতুন কম্পিউটারের স্বপ্ন দেখতে পারেন এবং এই ক্ষেত্রে যে কোনও সাধারণ ইংলিশ জ্ঞানকে ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

অ্যানালগ কম্পিউটার ও ডিজিটাল কম্পিউটারের পার্থক্য

অ্যানালগ কম্পিউটার এবং ডিজিটাল কম্পিউটার দুটির পার্থক্য সম্পর্কে আমরা সবাই জানি। অ্যানালগ কম্পিউটারে ইনপুট ও আউটপুট ভলটেজ, বৈদ্যুতিন নিয়ন্ত্রণ, ও সব সময় নির্দিষ্ট রেঞ্জে থাকে। এর প্রধান বৈশিষ্ট্য হল যে এর একটি সস্তা লজিক গেইট থেকে অন্যটির কমপ্লেক্সিটি বেনায়, যা আরও সহজে অভিনয় করতে পারছে। অন্যদিকে, ডিজিটাল কম্পিউটারে সমস্ত প্রসেস ডিজিটাল তথ্যের চার্জ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়, এবং সম্পূর্ণ নির্ভরযোগ্য।

আপনি এর মাধ্যমে বিভিন্ন প্রসেসিং করতে পারেন যেমন ফাইল, প্রিন্টিং, এবং নেটওয়ার্ক সম্পর্কিত কাজ। অ্যানালগ এবং ডিজিটাল কম্পিউটার দুটির মধ্যে পার্থক্য মুলত কম্পিউটার প্রক্রিয়ার জটিলতা এবং ক্ষমতা সম্পর্কে বিভিন্ন জীবন দৃষ্টিভঙ্গি দেখানো যায়। এবং দুটি কম্পিউটারের ব্যবহার আমাদের জীবনের বিভিন্ন আয়োজনের উপযোগিতা আলাদা আলাদা।

কীভাবে কাজ করে অ্যানালগ কম্পিউটার?

অ্যানালগ কম্পিউটার এবং ডিজিটাল কম্পিউটার এমন দুটি পৃথক পৃথক ধরনের কম্পিউটার যেখানে যেখানে আড়ালেও কাজ করা যেতে পারে। আমাদের চর্চার বিষয় হল অ্যানালগ কম্পিউটার কীভাবে কাজ করে। একটি অ্যানালগ কম্পিউটার ভৌত পরিচালিত। এর জন্য প্রয়োজন হয় বল, পানি, গ্যাস এবং আলোকের মতো ভৌতিক সম্পদ যা সরাসরি প্রতিনিধিত্ব করে।

See also  উইন্ডোজ এক্সপি (Windows XP) বলতে কি বোঝায়? ডেস্কটপ (Desktop) কাকে বলে?

অ্যানালগ কম্পিউটারে তথ্য একটি তথ্য ছবি বা অবজেক্ট হিসাবে প্রদর্শিত হয় এবং এটি নির্দিষ্ট তাপমাত্রা এবং আববাদের ভিত্তিতে কাজ করে। একটি অ্যানালগ কম্পিউটার তথ্যকে প্রসেস করে সরাসরি একই রকম তথ্য রচনা করে, তবে এটি বেশি কম্প্যাক্ট এবং লম্বা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। কিছু উদাহরণ হিসাবে আমরা অ্যানালগ কম্পিউটার ব্যবহার করে সাধারণত সিগনাল প্রসেসিং বা নির্দিষ্ট প্যাটার্নগুলি তৈরি করতে পারি। একটি অ্যানালগ কম্পিউটার একটি ক্ষুদ্র স্কেলেও প্রক্রিয়া করতে পারে এবং ক্ষুদ্রাংশ লেভেলের উচ্চ মান প্রসেস করা যায়।

তবে এটি প্রসেসিং এবং নিয়ন্ত্রণে সমস্যায় পড়তে পারে এবং এটি ডিজিটাল সিস্টেমের মতো সমস্যাগুলি সমাধান করতে অসুবিধায় পড়তে পারে।

কীভাবে কাজ করে ডিজিটাল কম্পিউটার?

ডিজিটাল কম্পিউটার একটি উন্নয়নশীল কম্পিউটার, যা একটি প্রোগ্রাম করে ফলাফল দেয়। এটি আপনার দ্বারা দেওয়া একটি মান বা সংখ্যা টেকসট হিসেবে নেয়। এর প্রসেসিং ক্যাপাসিটি দ্বিগুণ বা ত্রিগুণ বা তথ্য ফাইলের উপর নির্ভর করে। কম্পিউটারের যেসব উপাদান আছে, সেগুলি বৈদ্যুতিন উপাদানগুলি যেমন: লজিক গেট, ফ্লিপ-ফ্লপ, ট্রানজিস্টর, দায়বদ্ধতার উপাদান এবং সিস্টেম বাস থাকে।

সুতরাং, একটি কম্পিউটারের আটকানো লজিক গেট সম্পর্কে জানলে, ডিজিটাল কম্পিউটার কীভাবে কাজ করে তা সহজে বোঝা সম্ভব হবে।

কীভাবে মাত্রা নির্ণয় করতে অ্যানালগ ও ডিজিটাল কম্পিউটারের বিভিন্ন পদক্ষেপ

আমরা সবাই কম্পিউটারের বিভিন্ন পরিধি ব্যবহার করে থাকি, বর্তমানে আমরা দুটি প্রকারের কম্পিউটার ব্যবহার করে থাকি – অ্যানালগ কম্পিউটার ও ডিজিটাল কম্পিউটার. এই দুটি কম্পিউটারের একটি প্রধান পার্থক্য হল কম্পিউটারের মাত্রা নির্ণয় করার পদক্ষেপ। ডিজিটাল কম্পিউটারের ক্ষেত্রে, সকল তথ্যগুলো সংখ্যার রূপে প্রকাশ করা হয়। তার মানে হল এই কম্পিউটারের সকল তথ্য প্রকাশ করা হয় ০ এবং ১ এর মাধ্যমে। অ্যানালগ কম্পিউটারে মাত্রা নির্ণয় করতে প্রথমেই একটি প্রক্রিয়া ব্যবহার করা হয়।

এই প্রক্রিয়ায়, তথ্যগুলো সংখ্যার না হয়ে সমষ্টির রূপে প্রকাশ করা হয়। অন্যদিকে, ডিজিটাল কম্পিউটারে মাত্রা নির্ণয় করার সিস্টেমে নিরলেখ পদ্ধতিগুলি ব্যবহৃত হয়। এই সিস্টেমে, তথ্য প্রকাশ করা হয় সংখ্যার রূপে যেখানে একটি বিশিষ্ট মানের সংখ্যা একটি বিশিষ্ট সংজ্ঞা দেয়। এটি অর্থহীন কিন্তু সরলভাবে বলা যায় যে অ্যানালগ কম্পিউটারের ক্ষেত্রে মাত্রা সংখ্যার রূপে প্রকাশ করা হতে পারে না।

আর ডিজিটাল কম্পিউটারের ক্ষেত্রে যেমন মাত্রা সংখ্যার রূপে প্রকাশ করা হয় তেমন নয়। দুটি কম্পিউটারের ক্ষেত্রেই তাদের নিজস্ব আদর্শ আছে এবং তাদের ব্যবহার বিভিন্ন ব্যবধান পোষণ করে।

অ্যানালগ কম্পিউটারের দোষ এবং ডিজিটাল কম্পিউটারের উপকারিতা

কম্পিউটার ব্যবহার নিয়ে এখন দিনে আমরা সকলেই সামগ্রীক ভাবে জ্ঞান রাখি। কিন্তু কম্পিউটার এর একটি মূল পার্থক্য হল অ্যানালগ এবং ডিজিটাল কম্পিউটারের সুযোগ দেওয়া ফাংশনকে। অ্যানালগ কম্পিউটার এর দ্বারা ওয়াটার মিটারিং, যাবতীয় তাপমাত্রা মেপার সম্পর্কিত উপাত্ত বের করে নেওয়া জায় কিন্তু সেই প্রক্রিয়া স্রোতপথ এবং আনালগ এররো আর্থিক অপচয় সৃষ্টি করে তাই আধুনিক সময়ে এর বিভিন্ন ব্যবহার কাজ এর পিছনে হতাশার ভাব সৃষ্টি করে। এই সমস্যার সমাধান হল ডিজিটাল কম্পিউটার যা গাণিতিক কাজের প্রযুক্তিতে আধুনিক কম্পিউটারের নমুনার হিসাবে সম্পূর্ণ উপযোগী।

পাওয়া সমস্যার বাইরে দু’টা প্রকারের কম্পিউটারের বিভিন্ন ব্যবহার মূল ফাংশন।

Leave a Comment