ওয়াই-ফাই (Wi-Fi) সিগন্যালের শক্তি বাড়ানোর কৌশল।

ওয়াই-ফাই সিগন্যালের শক্তি বাড়ানো একটি স্বচ্ছতার সমস্যা সমাধান হিসাবে বেশ প্রচলিত উপায়। একটি উচ্চতর বা উচ্চ গতির রাউটার স্থাপন করা যেতে পারে। এছাড়া রাউটার যে জায়গায় লাগানো হবে সেটি খালি রাখার একটি ব্যবস্থা থাকতে হবে। রাউটারকে সর্বনিম্ন স্থানে রাখা যেতে হবে যাতে তা স্বচ্ছ এবং পূর্ণভাবে বিকল্প সিগ্নাল ছাড়াই নেটওয়ার্কের সিগন্যাল দিতে পারে।

এছাড়া পাশে থাকা আইটি ডিভাইসের মধ্যে বিকল্প ফ্রিকোয়েন্সি ব্যবহার করা যেতে পারে। সিগন্যালের সস্তা ও সম্পূর্ণতা নিয়ে ভেবে রাউটার থেকে দুর থেকে নেটওয়ার্কে যোগ দেয়া না হলেও সেটি একটি দীর্ঘদিনের সমস্যার মূল হতে পারে। তাই উপরোক্ত উপায় অনুসরণ করে ওয়াই-ফাই সিগন্যালের শক্তি বাড়ানো সম্ভব হবে।

ওয়াই-ফাই (Wi-Fi) সিগন্যাল কি এবং কতটা দুর্বল?

ওয়াই-ফাই হল বিনামূল্যে উপলব্ধ বেসিক কমিউনিকেশন প্রোটোকল, যা বেশির ভাগে নির্ভর করে বিনিয়োগকারীর উপস্থিতি এবং প্রাকৃতিক প্রাসাদের উপর। জ্বালানি ও বিন্যাস ব্যবস্থার জন্য এটি কমিউনিকেশন প্রোটোকল। একটি কমিউনিকেশন সিস্টেম গুগলের উদ্যোগে কাজ করে। সিগন্যাল একটি বেশি দূরত্ব চলাকালীনভাবে কমিয়ে চলে যেতে পারে এবং পারবার কার্যক্রমের বৃদ্ধির সাথে সম্পর্কিত অনেক কারণের মধ্যে কিছুটা পরিবর্তন হতে পারে।

একটি ওয়াই-ফাই সিগন্যাল যদির ক্ষেত্রে মেটার ও প্রাকৃতিক প্রাসাদ দিকের জন্য আবর্তমান হয়, অবিরাম সংযোগের চেষ্টা বন্ধ হবে, যদি সিগন্যালের উপস্থিতি নিশ্চিত না তবে স্পন্দন ভাঙ্গা হবে এবং প্রাপ্ত বিন্যাসের মান ঘটে যাবে।

ওয়াইফাই সিগন্যাল দুর্বল করে ফেলা সাধারণত প্রাচীন রাউটার বা সুইচের কারণে হয়।

ওয়াইফাই সিগন্যাল হল একটি রেডিও বেসড নেটওয়ার্ক যা বিভিন্ন উপকরণের (যেমন ল্যাপটপ, মোবাইল ফোন) সাথে নেটওয়ার্ক যুক্তিতে ব্যবহৃত হয়। কিন্তু কিনা আপনার নেটওয়ার্কের সিগন্যাল দুর্বল হলে এটি আপনার কাজকর্মে ব্যবধান সৃষ্টি করে। কারণ হল সাধারণত প্রাচীন রাউটার বা সুইচ ব্যবহার করা হয়ে থাকে নেটওয়ার্ক সংযোগের ক্ষেত্রে যা দ্রুত গুণগত সুন্দর অভিজ্ঞতা সিদ্ধ করতে না পারে। তাই নতুন বা হাই-এন্ড স্মার্ট রাউটার বা সুইচ ব্যবহার করলে নেটওয়ার্ক সংযোগের গুনগত সুন্দরতা উভয়ই হারিয়ে যাবে না।

এছাড়াও নেটওয়ার্ক সিগন্যাল বাড়ানোর জন্য আমরা বিভিন্ন টিপস অনুসরণ করতে পারি যেমন – নেটওয়ার্ক কনফিগারেশন পরীক্ষা করুন, নেটওয়ার্ক রিপিটার ব্যবহার করুন বা আরও একটি রাউটার ব্রিজ করুন এবং নেটওয়ার্ক সিগন্যাল যথেষ্ট বলে সেটিংস পরীক্ষা করুন।

ফাঁদের মতো কতিপয় জায়গায় সিগন্যালের বেকমপ্যাকে দেখা যায়।

ওয়াই-ফাই (Wi-Fi) সিগন্যাল হল একটি বিন্যাস যা ইন্টারনেট এক্সেস প্রদানের জন্য ব্যবহৃত হয়। আমরা কম্পিউটার, ল্যাপটপ, মোবাইল, ট্যাবলেট ইত্যাদি যে কোন প্রকার ইন্টারনেট উপকরণের সাথে Wi-Fi সংযোগ করতে পারি এবং ইন্টারনেট ব্রাউজ করতে পারি। কিন্তু কতটা ডুর্বল সিগন্যাল আমরা পাব তার বিষয়ে আমাদের অনেকেই বিশেষ করেন। ফাঁদের মতো কতিপয় জায়গায় সিগন্যালের বেকমপ্যাকে দেখা যায়।

See also  গেটওয়ে কী? নেটওয়ার্ক টপোলজি বলতে কী বোঝায়?

সিগন্যাল বেকমপ শুধু মাত্র সাইনালের দুর্বলতার কারণেই হয় না। এর জন্য ছোট গাড়ি, ছোট বাড়ি, দূরের এলাকা বা গরম করে তারা যারা তাদের Wi-Fi ডিভাইসেই সমস্যা হয় সেগুলো হতে পারে বেকমপ। সময়ের সাথে সাথে ইন্টারনেট ব্যবহার এবং সশ্রম নেটওয়ার্ক সংযোগ তৈরির জন্য ভালোভাবে Wi-Fi সিগন্যাল পরিচালনা করা আবশ্যক।

মেশ নেটওয়ার্ক, সিগনাল রেঙ্গেশেন এবং হটস্পট ব্যবহার করলে সিগন্যাল বেশি দুর্বল হয়।

ওয়াই-ফাই সিগন্যাল হল একটি বেতার সম্প্রচার, যা ইন্টারনেট সংযোগকে সম্ভব করে। এই সিগন্যাল প্রত্যেকটি ডিভাইস থেকে একটি রাউটার বা একটি এক্সেস পয়েন্ট দিয়ে প্রেরিত হয়। সিগ্নালের শক্তি জন্য, সম্ভবত কয়েকটি পরিষেবা ব্যবহার করা যেতে পারে। মেশ নেটওয়ার্ক ব্যবহার করলে, রাউটার এবং এক্সেস পয়েন্ট মধ্যে আপনার ডিভাইসের সংযোগকে একভাবে মুদ্রণ করা হয় এবং এইভাবে সিগ্নাল দুর্বল হওয়া সম্ভব যা আপনার ইন্টারনেট সংযোগ ব্যবহার করতে অক্ষম করতে পারে।

সিগনাল রেঙ্গেশেন ব্যবহার করলে সিগ্নালটি দুর্বল হয় যখন একটি বাধা বা প্রতিবন্ধক উপস্থিত থাকে। এক্সেস পয়েন্ট এবং রাউটারগুলি হটস্পট হিসেবে ব্যবহার করা হলে, সিগ্নালটি সাধারণত দুর্বল হয় কারণ এগুলি সম্ভবত পার্দা বা ফল্স সংযোগ করতে পারে যার ফলে সিগ্ন্যালটি দ্বিতীয়বার জন্ম নিতে হয়। আপনি একবার গুরুত্বপূর্ণ সংযোগটি পাবার চেষ্টা করবেন কিংবা গুরুত্বপূর্ণ সময়টি স্পেন্ড করবেন, তবে হটস্পটগুলি সর্বনিম্ন ব্যবহার করা ভালো হতে পারে।

ওয়াই-ফাই (Wi-Fi) সিগন্যাল শক্তি বাড়ানোর উপায়

ওয়াই ফাই কনেকশন জন্য নেটওয়ার্কের মুখোমুখি হলে আমরা সবসময় শক্ত সিগ্ন্যাল চাই। কিন্তু সবসময় শক্ত সিগ্ন্যাল নেওয়া সম্ভব না। কিছু উপায় ভাল সিগ্ন্যাল নেওয়ার জন্য রয়েছে। প্রথম জিনিস হলো রাউটার স্থানান্তরের জন্য।

রাউটারটি মানসম্পন্ন একটি জায়গায় রাখুন। এছাড়াও আপনি একটি রিপিটার ব্যবহার করতে পারেন। ফ্লুয়িডলাইন বিদ্যুৎ রেংখা ব্যবহার কর্তে পারেন কারণ কখনও ফ্লুইড রেংখার ক্ষতি নেই। লাইফস্টাইল কর্তনে অবস্থার জন্য সবসময় সিগ্ন্যাল সুষম করতে চেষ্টা করুন।

সিগন্যাল বৃদ্ধি করতে হলে প্রথমে একটি ভালো মডেম বা রাউটার খুঁজে বের করতে হবে।

ওয়াই-ফাই (Wi-Fi) সিগন্যাল শক্তি বাড়ানোর জন্য আপনার প্রথম পদক্ষেপ হবে একটি ভালো মডেম বা রাউটার খুঁজে বের করা। যখন সিগন্যাল কম থাকে তখন মডেম বা রাউটার পরিবর্তন করা উচিত হতে পারে। আপনি একটি ভালো মডেম বা রাউটার অর্থবহ দামে পাবেন এবং উচ্চ স্পিড ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারবেন। রাউটারে অনেক বৈশিষ্ট্য রয়েছে যা আপনার হোম নেটওয়ার্ক সেটআপে সহায়তা করতে পারে, যেমন অদম্য সিগন্যাল শক্তি, বহুল ইন্টারনেট সংযোগ, এবং দ্বিতীয় পরিষেবা দেয়া।

যদি আপনি এই বৈশিষ্ট্যগুলি সংক্রান্ত না বিষদ জ্ঞান রাখেন, তবে একজন ভালোমত নেটওয়ার্ক ইঞ্জিনিয়ার জন্য পরামর্শ নিয়ে সমস্যার সমাধান করার জন্য সম্ভবত সম্পর্ক করতে পারেন। তাদের সহায়তায় আপনি আপনার ওয়াই-ফাই সিগন্যাল শক্তি বাড়াতে পারেন।

See also  ওয়াই-ফাই এবং রোমিং এর সম্পর্ক: বিস্তারিত আলোচনা

পরিবেশের বাইরে থাকা কোন দিকে তাকিয়ে আনলে প্রাণবন্ত উচ্চাকাঙ্খিত সিগন্যাল পাওয়া যায়।

ওয়াই-ফাই (Wi-Fi) সিগন্যাল একটি খুব ব্যবহৃত নেটওয়ার্ক সম্পর্কিত প্রযুক্তি। এই প্রযুক্তির সাহায্যে আপনি আপনার ডিভাইস সম্পর্কে ইন্টারনেটে সংযোগ করতে পারেন। কিন্তু সময়ের সাথে সাথে ওয়াইফাই সিগন্যাল দ্বিগুণ বা এরও বেশি কমে যেতে পারে। তাছাড়া অনেক সময় এমন হয় যে আপনি কোন প্রকার এক্সটার্নাল উপকরণ, যেমন রাউটার এবং উইফি সিগ্নাল বুস্টার ব্যবহার করেই ওয়াইফাই সিগন্যাল এর শক্তিকরতা বাড়াতে পারছেন না।

তবে দিন যায়, কিছু কাজের মাধ্যমে আপনি এদের সাহায্য নেওয়ার মাধ্যমে একটি উচ্চাকাঙ্খিত সিগন্যাল পেতে পারেন। আপনি প্রথমেই আপনার রাউটার স্থান পরিবর্তন করে দেখতে পারেন যে কি কি পরিবর্তন হচ্ছে আপনার ওয়াইফাই সিগন্যাল এর শক্তিকরতা হায়ে যাচ্ছে কিনা। এছাড়া আপনি আপনার রাউটার ফার্মওয়ার আপডেট করতে পারেন যেটির মাধ্যমে আপনি আপনার রাউটারের সফটওয়্যার নতুনতম আপডেট প্রাপ্ত করতে পারবেন। আপনি একটি উইফি বুস্টার ব্যবহার করে ওয়াইফাই সিগ্নাল বাড়া শুরু করতে পারেন।

সম্ভবত ফাইনাল অপশনটি আপনার রাউটারের স্থান পরিবর্তন করা হওয়া। প্রথম সমাধানের মাধ্যমেই কোন সমস্যা হলে প্রথমেই আপনাকে প্রথম সমাধানগুলো চেষ্টা করতে হবে।

সিগন্যাল শক্তি বাড়াতে পারে রাউটার এন্টেনা পরিবর্তন করার মাধ্যমে।

ওয়াই-ফাই সমস্যার সমাধানের একটি উপায় হল রাউটার এন্টেনা পরিবর্তন করা। রাউটার একটি বিষয়বস্তু যা ওয়াই-ফাই সিগন্যালকে প্রেরণ করে। এন্টেনা সিগ্নাল প্রেরণের দক্ষতা নির্ধারণ করে এবং প্রায়শই দূরত্বকে আবার প্রভাবিত করে। রাউটারের এন্টেনা বাড়ানোর জন্যও অনেক টেকনিক্যাল সমাধান আছে, যেমন বিভিন্ন এন্টেনা সংযোজন করা, এন্টেনা আলাদা করা এবং নতুন এন্টেনা ক্রয় করা।

যদি আপনি এগুলি পটভূমিতে অনুসন্ধান করেন তবে আপনার সিগন্যাল প্রেরণের গুনগত এবং রাউটারের দূরত্ব সম্পর্কে পর্যাপ্ত জ্ঞান থাকবে এবং আপনি প্রয়োজন মত সিগন্যাল থাকতে পারবেন।

সিগন্যাল বাড়ানোর জন্য আলাদা একটি উপায় হল এক্সসেস পয়েন্ট (Access Point) ব্যবহার করা।

ওয়াই-ফাই সিগন্যাল বাড়ানো সম্পর্কে আলোচনা করা যায় অনেকটা মোটের মতো যা বর্তমানে আমাদের প্রত্যেকের জীবনে সংশ্লিষ্ট। সবাই সফলভাবে ইন্টারনেট ব্যবহার করতে না পারলেও, আমরা সকলের জন্য ব্যাপারটি সহজ করতে পারি। সিগন্যাল বাড়ানোর জন্য আলাদা একটি উপায় হল এক্সসেস পয়েন্ট ব্যবহার করা। এটি আপনার ইন্টারনেট সংযোগ ভালো করে স্থাপন করে এবং আপনার নেটওয়ার্কের কভারেজ বাড়িয়ে দেয়।

যদি আপনার বাড়ি বা অফিসে কোনও ক্ষেত্র থাকে যেখানে ইন্টারনেট সঞ্চালন করা উচিত, তবে আপনি সহজেই হার্ডওয়্যার আপগ্রেডসহ একটি অল্প বাজেটের এক্সসেস পয়েন্ট স্থাপন করতে পারেন। এটি সম্পূর্ণ কাজকরী এবং একটি সম্পূর্ণ গোপনীয় সিস্টেম। তাই, অবশ্যই একটি এক্সসেস পয়েন্ট ব্যবহার করে হয়ে উঠুন ইন্টারনেটের শক্তিশালী দুনিয়ায়।

Leave a Comment