কম্পিউটার ভাইরাসের প্রকারভেদ

কম্পিউটার ভাইরাস একটি কম্পিউটার বাইরে থেকে এন্ট্রি করে এবং কম্পিউটারে নিখুঁততার সংক্রমণ করে। আপনার কম্পিউটারের অপারেশনিং সিস্টেম বা ডাটাবেস পূর্বাবস্থায় পরিবর্তন করতে পারে এবং এটি আপনার অনলাইন প্রবেশ করার জন্য আপনার ব্রাউজারকে পরিবর্তিত করতে পারে। ভাইরাসের চারপাশে অনেক প্রকারের ভাইরাস রয়েছে। একে বিষয় ভিত্তিক ভাইরাস বলা হয়।

অন্যটি হ’ল ‘কেন্দ্রীয় কম্পিউটার’ ভাইরাস, যা একটি কম্পিউটার থেকে অন্যান্য কম্পিউটারে আক্রমণ করতে পারে। আরও একটি ভাইরাস এর নাম ‘বস’ যা অনলাইন থেকে ব্যবহারকারীদের কম্পিউটারে এন্ট্রি করতে পারে এবং তাদের কম্পিউটারে ক্র্যাশ করতে পারে। এগুলি অন্যান্য কম্পিউটার ভাইরাসের সাথে মিল মিশে উল্লেখযোগ্য প্রকার ভাইরাস।

ভাইরাস কি?

ভাইরাস হল একটি অণুজীবী বা সংক্রমক যা জীবনকে আক্রমণ করে আক্রান্ত ব্যক্তিদের সমস্যা সৃষ্টি করে। ভাইরাস আপনার শরীরে প্রবেশ করে পরিবারের ভিতরে ছড়িয়ে দিতে পারে, যদিও কেউ সংক্রমণ জ্ঞান রয়েছে না। ভাইরাসরা কয়েক ধরণের হতে পারে, যেমন কম্পিউটার ভাইরাস বা জিকা ভাইরাস। ভাইরাস হল একটি কিছু যা ছোট একটি পরিমাণ রয়েছে এবং অবিশ্বাস্য ভাবে বাড়ছে।

ভাইরাস আক্রান্ত ব্যক্তির জীবনকে আক্রমণ করে, সেটি সমাজের বাকি সদস্যদের জন্য একটি ঝাঁকি। আপনি ব্যক্তিদের সাথে যোগাযোগ বজায় রাখা এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা এমনভাবে সংক্রমণ বিরোধী হতে পারেন।

কম্পিউটার ভাইরাস কি?

কম্পিউটারে ভাইরাস হলো একটি ক্ষতিকর সফটওয়্যার। এর মাধ্যমে কম্পিউটার সিস্টেম এবং ফাইল সিস্টেমে অনেক ধরনের দুর্ঘটনা ঘটাতে পারে। এই ভাইরাসগুলি একটি কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে সংক্রমিত হতে পারে। যখন কেউ ইন্টারনেটে সর্চ ইঞ্জিন ব্যবহার করে, অথবা অমন উপস্থিত ওয়েবসাইটে যাওয়ার চেষ্টা করে, তখন এই ভাইরাসগুলি অতি সহজেই কম্পিউটারে প্রবেশ করতে পারে।

প্রধানত এই ভাইরাস দ্বারা অপারেটিং সিস্টেম নিয়ন্ত্রণ করা এবং ফাইল সংরক্ষণ করা হয়ে থাকে। কম্পিউটার ভাইরাস হ্রাস করার জন্য একটি সেফটওয়্যার ব্যবহার করে মাল্টিপল স্ক্যানার সিস্টেম পরীক্ষা করতে হয়। এই ভাইরাসগুলি ছাড়াও, লক্ষ্য করুন ফেসবুক এবং অন্যান্য সামাজিক মাধ্যমে পাঠানো লিঙ্কগুলির গুরুত্বপূর্ণ স্ক্রীনিং করতে। এখানে উপস্থিত লিঙ্কগুলি একটি পরীক্ষার জন্য যথেষ্ট না হলে পাঠা বন্ধ করা উচিত।

সামান্য সাবধানতার সাথে, কম্পিউটার ভাইরাস বিষয়ে আপনি নিজে সাবধান থাকলেই সমস্যার মুখোমুখি হওয়া থেকে বাঁচতে পারেন। “

ভাইরাস কীভাবে কাজ করে?

একটি ভাইরাস হলো একটি জীবাণুপদার্থ যা একটি জীবন্ত এসে সে জীবন্তটি সংক্রমণ করে এবং তার কাজ তার জীবন্ত হয়ে উন্নয়ন করা। একটি ভাইরাস নির্ভর করে তার হোস্ট-এ বা উপস্থিতিশীল জীবন্তের শক্তি ও উপায় ব্যবহার করে নতুন বা সংশ্লিষ্ট জীবন্ত তৈরি করে। একটি ভাইরাস প্রায়শই একটি জীবিকা মাধ্যমে সংক্রমণ সাধন করে এবং এটি পূর্বনির্ধারিত উপস্থিতিশীল জীবন্তের কম্পিউটার সিস্টেমে নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন করে। ভাইরাসের কিন্তু কোন জীবন্ত নেই, তাই এর জন্য নতুন জীবিকা আবশ্যক হয়।

See also  টাচস্ক্রিন (Touchscreen) কি?

একটি ভাইরাস জেনে নিতে যদি তার বৈশিষ্ট্য সর্লম্বী করা হয়, তবে এর কাজের ভূমিকা সহজে বোঝা সম্ভব।

ভাইরাসের প্রকারভেদ করা কেন গুরুত্বপূর্ণ?

ভাইরাস হলো একধরণের সংক্রমনশীল জীবাণু যা অতি ছোট আকারে থাকে। এটি পরিমাণগত প্রকৃতিতে খুবই সাধারণভাবে পাওয়া যায়। এই জীবাণুগুলো মানুষের এবং স্বাভাবিক জীবনশৈলীর অন্যান্য প্রাণীদের শরীরে প্রবেশ করে তাদের অসুস্থ করে দেয় এবং বিভিন্ন রোগের কারণ হয়। ভাইরাস এর বিভিন্ন প্রকার ও প্রকৃতি আছে যা মানুষের এবং অন্যান্য প্রাণীদের উপর ভিন্ন রোগ প্রবেশ করার ক্ষমতা রাখে।

এক্ষেত্রে ভাইরাসের প্রকারভেদ খুবই গুরুত্বপূর্ণ যাতে আলোচনা করা যায় যে কোনো রোগের ইতিহাস ও উৎপত্তি সম্পর্কিত। তারা সম্পর্কে জানলে অন্যতম জীবাণুগুলোর সংক্রমনের বিষয়ে আরো বেশি জানা যায় এবং উপচার এর পদক্ষেপ পরিকল্পনা করা সহজ হয়ে যায়।

ভাইরাসের বিভিন্ন প্রকার

এই পৃথিবীতে বিভিন্ন প্রকারের ভাইরাস আছে। ভাইরাস হল জীবাণুর একটি শ্রেণী, যা মানুষকে রোগ বা অসুস্থতা দিতে পারে। বহুল পর্যায়ে ভাইরাস বিস্তার হয় বা নতুন রোগের কারণে এর উৎপাদন হতে পারে। উদাহরণস্বরূপ কোভিড – ১৯ একটি নতুন রোগ যা সর্বপ্রথম মানুষের মধ্যে দেখা দেয়।

এটি করোনা ভাইরাসের কারণে নির্মিত হয়েছে। কিছু অন্যান্য পরিমাণে ভাইরাস হল ইনফ্লুএঞ্জা, হিপাটাইটিস বি, এইচআইভি এবং এপিডেমিক কেরো অন্যান্য উদাহরণ। এসব ভাইরাস প্রতিষ্ঠান করা হয় বিষুদ্ধ জীবাণুগুলি থেকে বা সর্বনিম্ন মাত্রার অস্থির হওয়া রোগদমন পদক্ষেপ থেকে বিকাশ লাভ করে। ভাইরাসের একটি প্রবলেম হল এটি এক্সপনেনশিয়ালি উন্নয়ন অর্জন করতে পারে, এবং এর দেওয়া রেসিস্টেন্স একটি আশঙ্কাজনক সমস্যা হতে পারে।

ওয়ার্ম, ট্রোজান হর্স, রুটকিট, ডিকি কি?

আমরা বিভিন্ন ভাইরাসের উপর আলোচনা করছি। এগুলি মডার্ন কম্পিউটার এবং ইন্টারনেট ব্যবহারে সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে। ওয়ার্ম প্রধানতঃ নেটওয়ার্ক প্রদত্ত ক্ষতিকর অভ্যন্তরীণ ভাইরাস হিসেবে চিহ্নিত হয়। ট্রোজান হর্স একটি ধরণের ভাইরাস যা গোপনে কম্পিউটারে অধিগ্রহণশীল হয় এবং কম্পিউটার ব্যবহারকারীর নির্দেশ অনুসরণ করতে পারে।

রুটকিট নেটওয়ার্কের উপর নির্ভর করে একটি প্রকল্প। সম্পূর্ণ ব্যবহারকারী সনাক্তকরণ ছাড়াই একটি নেটওয়ার্কের জন্য সেটআপ করা হয়। ডিকি হল একটি ছোট্ট ভাইরাস যা বিভিন্ন কম্পিউটার ফাইল সিস্টেমে চলতে পারে এবং বিভিন্ন ডেটা চুক্তি ভঙ্গ করতে পারে। আমরা সবাই আমাদের কম্পিউটারের সুরক্ষার জন্য সচেতন থাকতে হবে।

See also  কীবোর্ডের ‘কার্সর কী’ কাকে বলে? মাল্টি প্রসেসিং সিস্টেম বলতে কী বোঝায়?

কম্পিউটারে এন্টিভাইরাস ইনস্টল করে থাকার পাশাপাশি আমাদের কম্পিউটার সিস্টেমে কোন পরিবর্তন ছাড়াই কোন সফটওয়্যার ইনস্টল না করতে হবে।

ম্যালওয়্যার, এডওয়্যার, স্পাইওয়্যার

ভাইরাসের বিভিন্ন প্রকার রয়েছে যেগুলো কম্পিউটার ব্যবহারকারীদের জন্য অনেক ঝামেলা সৃষ্টি করতে পারে। এগুলো ম্যালওয়্যার, এডওয়্যার এবং স্পাইওয়্যার। ম্যালওয়্যার একটি কম্পিউটার প্রোগ্রাম যা ব্যবহারকারীর বিভিন্ন তথ্য নষ্ট করতে পারে এবং উন্নয়নশীল ফাইল ধ্বংস করতে পারে। একইভাবে এডওয়ার একটি অন্য প্রকার কম্পিউটার প্রোগ্রাম যা মূলত উন্নয়নশীল ফাইল সৃষ্টি করে এবং অনেক সময় ভাইরাস থেকে সংস্পর্শ করে।

স্পাইওয়্যার একটি অন্য প্রকার কম্পিউটার প্রোগ্রাম যা নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ করে এবং ব্যবহারকারীদের ব্যবহার সম্পর্কিত শব্দের লিস্ট তৈরি করে। এগুলি গুরুত্বপূর্ণভাবে অবগত হওয়া উচিত যাতে আপনি আপনার কম্পিউটারকে সুরক্ষিত রাখতে পারেন।

রানসমওয়্যার, ভ্লেকহোল, টুপহেট, ক্রিপটোওয়্যার

ভাইরাস হলো একধরণের ক্ষতিকারক সংক্রমণ, যা কম্পিউটার সিস্টেমে আক্রমণ করতে পারে। বিভিন্ন ধরণের ভাইরাস রয়েছে, যেমন রানসমওয়্যার, ভ্লেকহোল, টুপহেট এবং ক্রিপটোওয়্যার। এই ভাইরাসগুলির উদ্দেশ্য বিভিন্ন হতে পারে, যেমন সাইবার হ্যাকারদের জন্য অর্থ চিন্তা করা এবং আমাদের ব্যাক্তিগত তথ্য চুরি করা। রানসমওয়্যার হলো একধরনের ভাইরাস যা ফাইলগুলি এনক্রিপ্ট করে এবং তারপর আপনার কম্পিউটারের জন্য একটি রসুন মেসেজ প্রদর্শন করে যাতে আপনার ফাইলগুলি সামগ্রিকভাবে অপারেটিং সিস্টেমনিতে অ্যাক্সেস করা যায় না।

ভ্লেকহোল হলো একটি ডিস্ক বৃদ্ধি ভাইরাস যা আপনার হার্ড ড্রাইভের ফাইলের সাথে মিলে যাওয়ার জন্য খুব কম স্থান ব্যবহার করে। টুপহেট এবং ক্রিপটোওয়্যারও দুইটি পরিচিত ভাইরাস, একটি ফাইল এনক্রিপ্ট করে এবং আপনার কম্পিউটারের জন্য অ্যাক্সেস করা দুটি ভাইরাসের মধ্যে পার্থক্য হলো একটি ভাইরাস ফাইলগুলি এনক্রিপ্ট করে এবং এটি আপনার কম্পিউটার থেকে উত্থাপন করতে পারে এবং অন্যদের সাথে ভাগ করতে পারে। আর অন্যটি ভাইরাস ফাইলগুলি এনক্রিপ্ট করে, কিন্তু এক্সেস করার জন্য পরিদর্শকের সামগ্রিক অনুমতির পরে আপনার টেক্সট এবং এনক্রিপ্টেড ফাইলগুলি পড়তে পারেন। চলচ্ছবির মাধ্যমে ভাইরাস হলে আপনি আপনার সিস্টেমের সুরক্ষা বাড়িয়ে তুলতে পারেন।

সিস্টেম আপগ্রেড করুন এবং বিভিন্ন ভেবে আপনার ওয়েবসাইটের সুরক্ষা নিশ্চিত করুন। সাইবার হ্যাকারদের আক্রমণ থেকে বাঁচার চেষ্টা করা গুরুত্বপূর্ণ। আপনার সিস্টেমটি এই ভাইরাসগুলির হাত থেকে সুরক্ষিত রয়েছে তা নিশ্চিত করার জন্য একটি ভাইরাস স্ক্যানার ব্যবহার করুন এবং প্রতি মাসে আপডেট করুন।

Leave a Comment