কম্পিউটার ভাইরাস পরিচিতি

কম্পিউটার ভাইরাস হল কম্পিউটার সিস্টেমের মতো কিছু রোগজাতক প্রোগ্রাম যা অনুষ্ঠানের সাথে যুক্ত হতে পারে এবং সেটি কম্পিউটারকে একটি ইনফেকশন দিতে পারে। ভাইরাস একটি অনুষ্ঠান যা একটি কম্পিউটার সিস্টেমের ভেতর প্রবেশ করতে পারে এবং এটি কম্পিউটারকে ধ্বংস করতে পারে এবং একটি অ্যানটিভাইরাস সফটওয়্যারের মাধ্যমে তা বাদ দেওয়া যেতে পারে। একটি ভাইরাস বহুবার কম্পিউটারের ফাইল এবং ডেটা ধ্বংস করে এবং সেটি মুছে ফেলে দেয়, এমনকি কম্পিউটারের সিস্টেমও ধ্বংস করতে পারে। সাধারণত একটি ভাইরাস একটি হেকার বা কোনও কারণে ইন্টারনেটের মাধ্যমে একটি কম্পিউটারে অর্থাত সেই কম্পিউটারের পরিচালকের অনুমতি ছাড়াই সেটিকে আক্রমণ করার দ্বারা প্রসারিত হতে পারে।

তাই সবসময় কম্পিউটারে একটি ভাইরাস স্ক্যানার থাকা উচিত যাতে প্রযুক্তিগত দুর্বলতার উপর নজর রাখা যায়।

কম্পিউটার ভাইরাস সম্পর্কে জানুন

কম্পিউটার ভাইরাস আসলে কি এবং তার কারণে কোন ক্ষতিকর ফলাফল হতে পারে তা জানতে হলে আমাদের মনে করতে হবে যে কম্পিউটার ভাইরাস হল যেমন একটি ছোঁয়াচিহ্ন যা আপনার কম্পিউটারের অভ্যন্তরে প্রবেশ করে ওই কম্পিউটারে অপরিষ্কৃত কিছু কাজ সম্পাদন করে। কম্পিউটার ভাইরাস হল একটি মালওয়্যার যা কম্পিউটারের সুরক্ষা ব্যবস্থাপনাকে প্রভাবিত করে এবং দুর্নীতির ক্ষেত্রে সক্ষম হয়। অনেক সময় এটি নিয়মিত আপডেট না করা কম্পিউটারগুলি এড়িয়ে যায় এবং এর ফলে এটি সম্পূর্ণ ক্ষতিকর হয়ে ওঠে। কম্পিউটার ভাইরাসের ক্ষেত্রে সুরক্ষা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এবং এটি কম্পিউটারের নিরাপত্তা উন্নয়ন এর জন্য আলোচিত হয়।

কিন্তু এরকম সমস্যার সমাধান করার জন্য আপনার কম্পিউটার প্রতি নিমিষ ধারন করা দরকার।

কম্পিউটার ভাইরাস কি?

একটি কম্পিউটার ভাইরাস হচ্ছে এমন একটি প্রোগ্রাম যা আপনার কম্পিউটারে ইনফেক্ট হয়ে অনেক সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে। কম্পিউটার ভাইরাস হতে পারে ফাইল, একটি ডিস্ক বা ইমেল মাধ্যমে। ভাইরাসের মাধ্যমে হ্যাকাররা আপনার কম্পিউটারে হ্যাকিং করতে পারে এবং আপনার ব্যক্তিগত তথ্য, ক্রেডিট কার্ড তথ্য ও ব্যবসায়িক তথ্য সংগ্রহ করতে পারে। কম্পিউটার ভাইরাস এর মানে হলো কম্পিউটার যে ধরনের অবস্থা হয়ে উঠে যা আপনার কম্পিউটারের কাজে আঘাত প্রদর্শন করে।

ভাইরাস একটি সফটওয়্যার এবং এটি আপনার কম্পিউটারের নিজস্ব মেমোরি স্পেসের সাথে সংযোগ রেখে বিভিন্ন কাজ সম্পাদন করতে পারে। ভাইরাসের মাধ্যমে ক্রেডিট কার্ড তথ্য, ব্যবসায়িক তথ্য এবং ব্যক্তিগত তথ্য উদ্ধার করে হ্যাকাররা উপস্থিত হতে পারে। আপনি কিভাবে আপনার কম্পিউটারে ভাইরাস রোধ করবেন? সঠিক এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ইনস্টল করে নিজেকে প্রদত্ত সমস্ত আপডেটগুলি ইনস্টল করুন। আমরা মানুষ হিসেবে আমাদের নজর চাইতে হবে কেবলমাত্র সেই সফটওয়্যারগুলি ইনস্টল করার আগে।

সঠিক অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার না থাকলে আপনি ভাইরাস রোধ করতে পারবেন না। সঠিক সফটওয়্যার ইনস্টল করার পরিবর্তে আপনার পরিষ্কারভাবে উপযুক্ত রকমের ফাইল ডাউনলোড করুন এবং এ রকমের কাজ যা কম্পিউটারের সুরক্ষা নির্ভর করে না করুন। একটি সুসংগঠিত রুটিন অনুসরণ করার মাধ্যমে আপনি আপনার কম্পিউটার সুরক্ষিত রাখতে পারেন। আপনি প্রতিদিন সঠিক সফটওয়্যার আপডেট করুন এবং উচ্চমাত্রা এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ইনস্টল করুন।

আপনি একটি ফায়ারওয়াল ইনস্টল করতে পারেন যা আপনার কম্পিউটারে অনেক উপকারী হতে পারে। আর আপনি ভাইরাসের সঙ্কট মুখে থাকেন।

কম্পিউটার ভাইরাসের ইতিহাস

কম্পিউটার ভাইরাস হল কম্পিউটারে একটি প্রোগ্রাম যা নিশ্চিত উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয়। ভাইরাসগুলি কম্পিউটারের সকল সঙ্গীতে ছড়িয়ে ফেলতে পারে এবং কম্পিউটারে অপব্যবহার আরম্ভ করে ও আইনসম্মতভাবে কাজ না করতে পারে। এই নজরে কম্পিউটারে ভাইরাসগুলির একটি বিশদ ইতিহাস রয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, ১৯৮৩ সালে প্রথম কম্পিউটার ভাইফারস হ্যাকারদের দ্বারা তৈরি হয়।

এর পর থেকে ভাইরাসগুলি নিয়মিত হয়ে উন্নয়নপাত্র হতে হাজারো মানুষকে আলোচনা করার বিষয় হয়েছে। এখন সময়ে কম্পিউটার ভাইরাস ভাইরাসগুলি বিভিন্ন রকম হতে পারে যেমন ওয়ার্ম, ট্রোজান হর্সওয়ার, স্পাইওয়্যারগুলি এবং আরও অনেক কিছু। কম্পিউটার ভাইরাসের ইতিহাস বিবরণ করতে এই রকম উদাহরণগুলি হল উপযোগী।

কম্পিউটার ভাইরাস কেন খুব মারাত্মক?

কম্পিউটার ভাইরাস হল একটি ঘাতক প্রোগ্রাম। এই ভাইরাসের ফলে কম্পিউটারের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যেতে পারে এবং অপারেটিং সিস্টেমের সম্পূর্ণ বিপর্যয় ঘটাতে পারে। কম্পিউটার ভাইরাস বিভিন্ন উৎস থেকে হতে পারে যেমন ইমেইল অ্যাটাচমেন্ট, ডাউনলোড, জাভাস্ক্রিপ্ট, লিঙ্ক এবং এডভার্টাইজমেন্ট। এছাড়া কম্পিউটার সিস্টেমের সুভিধাবহুল বিভিন্ন ফাইল ও ফোল্ডারের ভেতরে ইনফেকশন লাগানো যায়।

ভাইরাস হল প্রোগ্রামগুলির একটি সাম্প্রতিক স্বরুপ এবং কোন নতুন প্রোগ্রাম চালানোর সময় ফাইল হিসেবে মানতে হয়। সম্পূর্ণ কার্যক্রমটি হল নিঃসন্দেহেই নিষ্ক্রিয় করা। একবার একটি কম্পিউটার ভাইরাস ইনফেকশনের শান্তিপূর্ণ উপায় হল কম্পিউটারের অভিজ্ঞতা নিয়ন্ত্রণ করে স্থানান্তর করা বা ঠিক করা।

কম্পিউটার ভাইরাস সম্পর্কে আরও জানতে হলে কি করবেন?

এখন সময়ে কম্পিউটার সম্পর্কে কাজ করে থাকা প্রায় সবাই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে ,ইন্টারনেট ব্যবহার করছি তাই আমার কম্পিউটারে একটি ভাইরাস থাকতেই পারে। কিন্তু একটি ভাইরাস আমার কম্পিউটারের জন্য দুষ্কর বা নির্বাচিত ব্যবস্থার কাজ করতে পারে যা আমিস জানি না। এক্ষেত্রে সঠিকভাবে সুরক্ষা নেয়া প্রয়োজন। আপনি যদি আপনার কম্পিউটারের উন্নয়নকে নিরাপদ করতে চান, তবে প্রথমেই আপনার কম্পিউটারের অ্যানটি ভাইরাস সফটওয়্যার (এন্টিভাইরাস) সম্পর্কে সম্পূর্ণ জানতে হবে।

See also  চৌকস ই-বুক কি

সেই ক্ষেত্রে নিজের কম্পিউটার নিশ্চিত করতে পারেন বা নিজের কম্পিউটারে ভাইরাস ফাঁদে না পড়তে আপনার কম্পিউটারের সিস্টেম এনজিন সঠিকভাবে সেট করতে পারেন। আর যদি ভাইরাস একবার আপনার কম্পিউটার এ ঢুকে যায় তাহলে সে থেকে মুক্তি পাওয়ার প্রস্তাব নেওয়া সঠিক নয়, এর জন্য আপনার কম্পিউটারের সিস্টেম আপডেট করে এবং নিরবিচ্ছিন্ন ভাইরাস স্ক্যান করতে যেতে হবে।

কম্পিউটার ভাইরাসের প্রকার

কম্পিউটার ভাইরাস একটি অস্থায়ী কম্পিউটার প্রোগ্রাম যা একটি কম্পিউটারে প্রবেশ করতে পারে এবং প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে। কম্পিউটার ভাইরাস নির্মাণ করে তৈরি করা হয় কিছু মহান লোক দ্বারা যারা এই ভাইরাসের মাধ্যমে স্বপ্ন দেখতে চাচ্ছেন বা কচমকে করতে চান। এখানে বিভিন্ন ধরণের ভাইরাস রয়েছে, যেমন ব্যকডোর, ট্রোজান, কুকি সম্পর্কিত ভাইরাস, স্পাম মেইল অটোমেটেড রিসপন্স জেনারেটর সম্পর্কিত ভাইরাস ইত্যাদি। ভাইরাসগুলি সম্প্রতি এক পরিশহিত প্যান্ডেমিকের মতো প্রতিফলিত হয়েছেন, তাই নিরাপদ থাকতে নিজেকে কৌশলপূর্ণ করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

ভাইরাস

কম্পিউটার ভাইরাস একটি কম্পিউটার প্রোগ্রাম যা কম্পিউটারের সিস্টেম এবং ডেটা নিয়ন্ত্রণ করতে পারে এবং কম্পিউটারে মেমোরী কে বাধা দেয়। কম্পিউটার ভাইরাস কোনও শক্তিশালী হতে না দেখেই অনেক ক্ষতি করতে পারে কেননা এগুলি আমাদের কম্পিউটারকে এক্সিকিউট করতে পারে এবং আমাদের সার্ভারে আক্রমণ করতে পারে যা ভবিষ্যতে কম্পিউটারের অভাব এবং একটি আমানতের নিরাপত্তার সঙ্গে চিন্তাকে বৃদ্ধি করতে পারে। এই ভাইরাসগুলি একটি নির্দিষ্ট ধরণের প্রোগ্রাম হিসাবে ক্রিয়াশীল হয়। কিছু ভাইরাস পাঠকের ডেটা নিয়ন্ত্রণ করা একটি প্রধান লক্ষ্য হতে পারে একটি অন্য ভাইরাস কে নিয়ন্ত্রণ করা যা কখনো কখনো আপনার সার্ভার সুরক্ষিত হতে পারে এবং আপনার ব্যবসা বন্ধ হতে পারে।

সাধারণত ভাইরাস একটি দুষ্ট প্রোগ্রাম হতে পারে যা ব্যবহারকারীদের প্রয়োজনের সাথে নিষেধেও উপযোগী হতে পারে। ভাইরাসগুলি সাধারণত ফাইল শেয়ার এবং ইমেইলের মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয় তাই আপনার কম্পিউটারে সবসময় নিরাপদ রাখা সম্ভব হয়।

ওয়ার্ম

কম্পিউটার ভাইরাস হল একটি অস্থায়ী প্রোগ্রাম বা কোড, যা কম্পিউটারের সিস্টেম বা ফাইলগুলোর মধ্যে ঢুকে ফেলে তাদের ক্ষতি করতে পারে। ভাইরাস উন্নয়ন করে হাকাররা এটি একটি নিকৃষ্ট সমস্যা। আমরা বিভিন্ন প্রকারের ভাইরাস দেখতে পাই যেমন তারুণ্যের হিজাক ফাইলগুলি, মাকেওস ওয়ার্ম, ট্রোজান, স্পাইওয়্যার ইত্যাদি। এই দ্ব্যরূপ দুটি ভাইরাসের মধ্যে সম্পাদনা এবং হ্যাকিং এর জন্য ট্রোজান এবং স্পাইওয়্যার ব্যবহার করা হয়।

আমরা নিয়মিত ভুল করতে পারি না এবং ফাইলের মাধ্যমেও ভাইরাস বর্তমান দিনে আমাদের কম্পিউটারের সিস্টেমকে ব্যাঘাত দেতে পারে। একটি ভাইরাস স্পষ্টভাবে সনাক্ত করা বা সঠিকভাবে বের করা দুটি ঝামেলা হতে পারে। তবে একটি ভাইরাসকে সম্পূর্ণ মুছে ফেলার জন্য আমরা যন্ত্রপাতির ফেব্রিক ভাবে আপডেট রাখতে পারি, এটি আমাদের কম্পিউটারের মোটামুটি নিরাপত্তার জন্য মুখ্যত্ব রাখে।

ট্রোজান হর্স

কম্পিউটার ভাইরাসের একটি খুব কমন প্রকার হল ট্রোজান হর্স। এটি একটি অনুষ্ঠান যা একটি পাকস্থলে প্রবেশ করতে পারে এবং ধীরে ধীরে কম্পিউটারের উপর নির্ভরশীল হতে পারে। ট্রোজান হর্স একটি একক কম্পিউটারের জন্য তৈরি করা হয়। এটি আমাদের কম্পিউটারের নিরাপত্তার কমপক্ষে পরিবর্তন করতে সক্ষম।

এটি ধীরে ধীরে ক্যামেরা থেকেও তথ্য সংগ্রহ করতে পারে এবং আমাদের একটি গোপনীয়তা আচরণের মাধ্যমে আমাদের আশ্বাস ভঙ্গ করতে পারে। অতএব, আমরা যথাযথ সুরক্ষা ব্যবস্থাপনা নেওয়া উচিত যাতে আমরা ট্রোজান হর্স দ্বারা আমাদের কম্পিউটার সুরক্ষিত রাখতে পারি। ইংরেজিতে এর কাছে ডিফেনশিভ ঠিকানা পেয়ে যাওয়ার জন্য সাবস্ক্রিপশন করুন।

স্পাইওয়্যার

কম্পিউটার ভাইরাস বা স্পাইওয়্যার হল একই ধরনের একটি ধ্বংসাত্মক সফটওয়্যার। এর ব্যাপক স্কোপ এবং ফাংশনালিটির জন্য এটি ব্যবহৃত হয় হাজারো করে নেটওয়ার্কে এবং কম্পিউটারে। প্রথমে আমাদের বুদ্ধিমান কম্পিউটারের সিস্টেমে প্রবেশ করে এবং পরবর্তীতে সে আমাদের প্রাইভেসি এবং ডাটা প্রকাশ করেন। এটি নিজেকে কম্পিউটার এবং নেটওয়ার্ক সম্পর্কে জানতে সক্ষম হয় এবং এটি কম্পিউটার সিস্টেমে সঙ্গীত সফটওয়্যার ইনস্টল করে এবং আপনার কম্পিউটারের সকল অংশগুলি আপডেট করে সেটি ব্যবহার করে।

কম্পিউটার ভাইরাস বরাদ্দ করার জন্য একটি পরিষ্কারভাবে ফরম্যাট করা হতে পারে এবং আপনার সিস্টেমটির সিকিউরিটি সফটওয়্যারের সাথে আপগ্রেড করা উচিত। সম্পূর্ণ উন্নয়ন এবং মর্যাদায় মজুত আপনার কম্পিউটারে একটি সফটওয়্যার ইনস্টল করার পরামর্শ দেওয়া হয়।

আডওয়্যার

কম্পিউটার ভাইরাস হল একটি ধরনের আডওয়ার যা কম্পিউটারের জন্য একটি উপহার নয়। এটি আপনার কম্পিউটারের চালানো ক্ষমতা বা অপারেশন বিকল্প করতে পারে এবং কম্পিউটারের সূচনা গুলি আপনার আলোচিত জন্য উপযোগী নয়। একটি ম্যালওয়্যার প্রোগ্রাম হিসাবে একটি কম্পিউটার ভাইরাস একটি জনপ্রিয় প্রকার যা আপনার কম্পিউটারে ভেগে থাকতে সক্ষম। বিভিন্ন ধরনের ভাইরাস আছে যা আপনার কম্পিউটারের বিভিন্ন অংশের মাধ্যমে মূল্যবান তথ্য হারানোর প্রয়োজনীয়তা পূর্ণ করে।

See also  মাল্টিথ্রেডিং অপারেটিং সিস্টেম কাকে বলে? উইন্ডোজ বলতে কী বোঝায়?

ক্ষতিকর স্পাম বা ফিশিং ইমেল থেকে শুরু হতে পারে এবং কম্পিউটারের জন্য ধর্মী উপাদান হিসাবে নির্দিষ্ট একটি ফাইল। সমস্ত ব্যবহারকারীর জন্য গুরুত্বপূর্ণ হল এই ধরনের ওভারভিউ এবং তার প্রতিক্রিয়া বাস্তব এবং ঝুঁকিপূর্ণ এন্টিভাইরাস সম্পর্কে আগ্রহময় হতে যেন।”

ফিশিং

ফিশিং হলো ইন্টারনেট হ্যাকিং এর একটি ধরণ। এটি এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে হ্যাকাররা ইমেইল, স্মার্টফোন বা ওয়েবসাইটে মনে করে লোকদের ব্যবহারকৃত সংক্রান্ত তথ্য ও যাচাইকরণ তথ্য অর্জন করে। এই প্রক্রিয়া সাধারণত কুকি নামের একটি একটি ব্যবহারকৃত তথ্য সংরক্ষণের মাধ্যমে কার্যকর হয়। পরিণতির ফলে, হ্যাকাররা লোকদের গোপনীয় তথ্য সংগ্রহ করে উন্নয়নশীল উদ্যোক্তাদের হঠাৎ অর্থ লুটপাটের শিকার করে ফেলার শেষ ফল হিসেবে ফিশিং রচনার কথা হয়।

তবে হতে পারে যে লোকজন ফিশিং সম্পর্কিত তথ্য না জানে এবং হ্যাকারের শিকার হয়ে যায়। তাই ভালভাবে জানার পরিবেশ তৈরি করে এবং ফিশিং থেকে লোকদের আত্মরক্ষা করার প্রয়োজন।

ফর্মফিশিং

ফর্মফিশিং একটি কম্পিউটার ভাইরাসের প্রকার, যা অনলাইনে ব্যবহারকারীদের আকর্ষণ করে সাইট মডিফিকেশন এবং ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁস করে। এটি সাধারণত একটি মেইল দ্বারা ছড়িয়ে যায়, যা অস্থায়ী সাইট যেমন একটি ব্যাংকিং বা শপিং সাইট প্রতিনিধিত্ব করে। ব্যবহারকারীকে আকারে প্রস্তাবিত সাইটে লগইন করতে বলা হয়, এবং সেখানে তাঁর ব্যক্তিগত তথ্য প্রবেশ করার অনুরোধ করা হয়। কম্পিউটার ভাইরাস এর সম্পর্কে আরও জানতে হলে, ব্যক্তিগত তথ্য এবং দক্ষতার সঙ্গে ইন্টারনেট ব্রাউজিং করার সময় সতর্ক থাকুন।

যদি আপনি যে কোনও সন্দেহ নির্ভরযোগ্য মেলা পেতেন তাহলে সাইট ব্যবহার বন্ধ করে দিন এবং সেটি প্রতিবেদন করুন।”

রেনসমওয়্যার

কম্পিউটার ভাইরাসের প্রকার নিয়ে আমরা নজর রাখতে পারি যাদের নজরবিচারে কম্পিউটার কেন্দ্রিয় বিষয় তারা বুজে নেওয়া দরকার। প্রথমতঃ, বীরো কম্পিউটার ভাইরাস হচ্ছে মালওয়্যার। এটি ইন্টারনেট সংযোগ হওয়ার সময় কম্পিউটারে প্রবেশ করতে পারে এবং ব্যবহারকারীর আঙ্গুলের না চলাচলের ফলে এটি কম্পিউটারের ভেতর প্রবেশ করতে পারবে। উচ্চারণতে, ই-মেইল হ্যাকিং এবং ফাইল শেয়ারিং ওয়েবসাইট দ্বারা ইন্টারনেট মার্কেটিং পরিষেবা সরবরাহকারী আইপি ঠিকানা হচ্ছে অন্য কয়েকটি ইত্যাদি সরঞ্জাম যা আপনার কম্পিউটারে ভাইরাস উৎপন্ন করতে পারে।

চলমান দিনে উন্নয়নশীল সাইবার অপরাধীরা হ্যাকিং এবং মালওয়্যারের জন্য সদস্যসমূহ সৃষ্টি করে এবং বিভিন্ন প্রযুক্তি ব্যবহার করে বিভিন্ন ধরনের ভাইরাস তৈরি করেন। যেমন ট্রোজান, ইউ এস বি ভাইরাস, কম্প্যাক্সা ভাইরাস ইত্যাদি। তারা কম্পিউটার ব্যবহারকারীদের কম্পিউটারের নিয়ন্ত্রণ নেওয়া ও সর্বোচ্চ ক্ষতি উপসর্গ করতে পারে। তাই আপনার আইটি প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত করা ও নরমাল সিকিউরিটি টেনে নিতে পারলে আপনি আপনার কম্পিউটারের সুরক্ষা বাড়িয়ে নিতে পারবেন।

ভিশনি

কম্পিউটার ভাইরাস আসলে একটি কম্পিউটার প্রোগ্রামের মতো হয় যা আমাদের কম্পিউটার সিস্টেমের সম্পূর্ণ অধিগ্রহণ করতে পারে এবং এটি আমাদের সিস্টেমে ব্যাপারে ক্ষতি সৃষ্টি করতে পারে। এখন আমরা একটি ব্যবহারকারী হিসেবে একটি উন্নত ও সম্প্রসারিত কম্পিউটার ব্যবহার করি। কম্পিউটার ভাইরাস নেটওয়ার্ক, পেনড্রাইভ, ডিস্কে ও ইন্টারনেট থেকে ভ্রমণ করে আসে এবং সিস্টেমের কম্পিউটার প্রোগ্রামগুলির উপর আক্রমণ করে। ভাইরাস একটি প্রধান ধরনের কম্পিউটার মালওয়ের জন্য দুষ্কৃত ফাইল বা অপারেটিং সিস্টেম, সর্বশেষ সম্পাদনার সময় কাজ করছে।

আরও উন্নয়ন ও সম্পর্কিত কম্পিউটার প্রোগ্রামগুলি এর সৃষ্টি একটি অধিক উন্নত প্রকারের কম্পিউটার মালওয়ারের সৃষ্টি হয়েছিল। “

হ্যাকিং

কম্পিউটার ভাইরাস হলো একটি ধরনের সফটওয়্যার, যা কম্পিউটারের কাজে ব্যবহৃত হয় এবং কম্পিউটারের তথ্য লুকানো ও ধ্বংস করার উদ্দেশ্যে তৈরি হয়। একটি কম্পিউটার ভাইরাস সাধারণত অন্য কোন সফটওয়্যারের মধ্যে লুকিয়ে থাকে এবং সিস্টেমের কাজের প্রভাব নেওয়ার জন্য নিজেকে নির্দেশ করে। এক ব্যাপার যদি ব্যক্তি একটি ভাইরাসের টার্গেট হয় তবে তার কম্পিউটারে একটি ভাইরাস প্রবেশ করে এবং সেটি সম্পূর্ণ ক্ষতিগ্রস্ত করে ফেলে। ডেটার হানিকারক হতে পারে এবং ব্যবহারকারীর মেশিনের কাজের স্পীডও বের হতে পারে।

কম্পিউটার ভাইরাস বর্তমানে তিন ধরনের হতে পারে – ওয়ার্ম, ট্রোজান হর্স, এবং স্পামের ভাইরাস। ওয়ার্ম কম্পিউটারের নেটওয়ার্ক বিদ্যমান কম্পিউটারের মধ্যে ফেলে ফেলার চেষ্টা করে। ট্রোজান হর্স ব্যবহারকারীর মেশিনে লুকানো হয়। এবং স্পাম ভাইরাস ব্যবহারকারীর ইমেইল সার্ভারে একটি ভাইরাস এর মধ্যে লুকিয়ে থাকে।

তবে এই সমস্যাগুলি বাস্তব করে কম্পিউটার ভাইরাস দ্বারা আপনার মেশিনে লুকিয়ে পড়তে সম্ভব নয়।”

Leave a Comment