বাংলাদেশে কম্পিউটারের ইতিহাস

বাংলাদেশে কম্পিউটারের ইতিহাস সম্পর্কে কথাটি রূপান্তর করতে চাই। বাংলাদেশ সরকার তৈরি করেছিল দেশের প্রথম বার্তা পাঠানোর উদ্যোগে যা খুব সফল ছিল। কিন্তু কম্পিউটারের উন্নয়নে একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্ব নেই, যা হলো ১৯৬৪ সালের জানুয়ারি একটি সেমিনারে হুও। এই সেমিনারের সংগঠক হলেন কম্পিউটার এ্যাসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশ (সিএএবি)।

সেমিনার চলাকালীন দিনগুলি সুখবর দিন হিসেবে উল্লেখযোগ্য। দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম ব্যবহারকারী হিসেবে, বাংলাদেশ এখন একটি দ্রুতগতির এবং উন্নয়নশীল কম্পিউটার উদ্যোগে উন্নয়ন করে আসছে।

কম্পিউটার এন্ট্রি ও প্রথম প্রজেক্টস

কম্পিউটার এন্ট্রি ও প্রথম প্রজেক্টস সম্পর্কে আমাদের দিন এখন থেকে চলমান। কম্পিউটার তথ্য নিয়ন্ত্রণ, বিশ্লেষণ, এবং প্রসেস করতে সক্ষম একটি উপকরণ যা আমাদের দেখতে একটি কাঠের বড় সযত্ন সঙ্গে ডিজাইন করা হয়েছে। এক নজরে কম্পিউটার প্রোগ্রামিং সংক্রান্ত এন্ট্রিতে এসে প্রথম যে দিকে নজর দিতে হবে তা হল প্রোগ্রামার হিসাবে এন্তে যোগ হওয়া এবং ডিভেলপমেন্ট এর সাথে সমন্বয় করা। আমাদের প্রথম প্রজেক্টস কীভাবে ডিজাইন হবে তা বিষয়ে ভালো ধারণা রাখা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

সমস্যা মূলক কোন একটি সিস্টেম বা প্রজেক্ট ফাঁকা থাকবে না। কিন্তু প্রজেক্ট ইমপ্লিমেন্টেশন হওয়ার পরে সমস্যাগুলো সমাধান করা খুবই মুশকিল। এক্ষেত্রে ভালো প্রজেক্ট ডিজাইন ও এ্যালগরিদম ভালোভাবে ধারণ রাখতে হবে। সাথে সাথে প্রজেক্টটি কনসিস্টেন্ট হতে হবে এবং এর অ্যাপ্লিকেশানটি ব্যবহারকারীদের জন্য ব্যবহারযোগ্য এবং সহজ হতে হবে।

এটি একটি অন্যকথা যে টেকনোলজি ব্যবহার করে তৈরি সিস্টেম যা ব্যবহারকারীদের জীবনটি সহজ করে দিচ্ছে। “

কম্পিউটার শেখার সময় ও ইনয়েজ

কম্পিউটার শেখার সময় আমরা মূলত এন্ট্রি লেভেলে শুরু করে থাকি। কম্পিউটার এন্ট্রি হল কম্পিউটার ব্যবহারের প্রাথমিক ধাপ। তবে এন্ট্রি কিংবা বেসিক কম্পিউটার শেখার জন্য ব্যবহৃত ভাষা খুবই সহজ। হ্যাঁ, আপনি কম্পিউটার এন্ট্রি সম্পর্কে সম্পূর্ণ নলেজ না থাকলেও কম্পিউটার চালানো সম্ভব।

কম্পিউটার এন্ট্রি অনেক কিছু শিখানো হয়, যেমন: সিস্টেমনেটিক এবং লজিকাল প্রোগ্রামিং, ওপারেটিং সিস্টেম, কম্পিউটার নেটওয়ার্কিং, ইত্যাদি। আপনি যদি কম্পিউটার এন্ট্রি শেষ করতে না পারেন তবে আপনি আরও গভীর মানের উপায়ে জেনে নিতে পারেন। এটি আপনাকে আপনার কাছে কম্পিউটার শেখার সময় কিছু প্রজেক্ট করতে সাহায্য করবে। একটি প্রজেক্ট শুরু করার জন্য, আপনাকে নির্দিষ্ট একটি লজিক বা একটি অধিক লজিক হতে হবে।

একটি প্রজেক্ট করতে সময় নেওয়ার সাথে সাথে আপনি কিছু নতুন শিখতে পারবেন এবং কম্পিউটার শেখার পথে আমান্ত্রণ পাবেন। দুঃখিত বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে এখন আমাদের কম্পিউটার কাজ করার দিকে আরও অনেক জ্ঞান লাগে। তবে লক্ষ্য করা প্রয়োজন যে, আমাদের কম্পিউটারের উপর কিন্তু আমাদের নজরদৃষ্টি কার্য করছে, এবং আমরা যখন কিছু সম্প্রসারণ করে থাকি তখন কম্পিউটারের কাছ থেকে কিছু জ্ঞান আমরা সংগ্রহ করতে পারি। একটি উদাহরণ দিতে যদি চাই, আমরা ব্লগ লেখার প্রতিটি বর্গাকার লেখা চাই।

আমরা যখন ছবি আপলোড করি, তখন আমরা কম্পিউটারের কাছ থেকে কিছু জ্ঞান (ছবি) সংগ্রহ করি। ভেবে দেখিতে গেলে, আমাদের পরিবেশে অবস্থিত সমস্ত জ্ঞান একটি প্রক্রিয়া হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে যার সাহায্যে আমরা পরবর্তীতে আরও উন্নয়ন করব।

See also  কম্পিউটারের দক্ষতা এবং কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি করার উপায়

সাম্প্রতিক ভারতীয় কম্পিউটারগুলি

স্কুল বা কলেজের পথিক্রমমতে কম্পিউটার এন্ট্রি কোর্স হ্রাস করে নষ্ট করতে হলেই এখন আমরা সাম্প্রতিক বলতে পারি ভারতীয় কম্পিউটার দুনিয়ার সাথে একটা অংশ পেয়ে গেছে। আজকের প্রয়োগশীল প্রযুক্তিতে ইন্টারনেট ব্যবহার করা অপরিহার্য হওয়ার মধ্যেও সুবিধাজনক উপায়ে প্রতিটি সরঞ্জামটি কম্পিউটার ভিত্তিক। কম্পিউটারে ভ্যালিডেটেড টেস্ট করতে এবং সংক্ষেপণ দেওয়া যায় প্রক্ষেপ-বাধা, দক্ষতা ও কম্পিউটার প্রোগ্রামিং সম্পর্কে সামান্য ধারণা আছে তো না? এসব স্বয়ংক্রিয় প্রক্রিয়াবদ্ধ করার জন্য আজকের প্রযুক্তি সূচনা করে কম্পিউটারে সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারে। এটি কারণে কম্পিউটার এন্ট্রি পদক্ষেপ হল একটি ভালো কর্মসূচি যাতে আপনি BCS পরীক্ষা প্রস্তুত হতে পারেন এবং আপনার ক্যারিয়ারের জন্য উপযুক্ত কোনও ধারণা পেতে পারেন।

বাংলাদেশে প্রথম কম্পিউটার সেটআপ

বাংলাদেশে কম্পিউটার এন্ট্রি উদ্যোগ প্রথমবারের মতো ছিল। প্রায় একটি সমস্যার তথ্য তৈরি এবং সংরক্ষণের জন্য একটি সেন্ট্রালাইজড কম্পিউটিং সিস্টেমের প্রয়োজন ছিল। ১৯৬৬ সালে, বাংলাদেশের দুই বিশিষ্ট উদ্যোক্তার মধ্যে একটি কোম্পানি গঠন হয় নামভূক্ত হিসেবে বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কমপ্যুটারিজড সার্ভিসিজ বা বিসিএস কর্পোরেশন। তারা কয়েকটি ডেসকটপ কম্পিউটার কিনে নিয়েছেন যা প্রধানত ব্যবহারিক কাজের জন্য ইউজ হতো।

এইগুলোর মধ্যে সিএইচপি কিছু ছিল যা ৮ মেগাবাইট র‍্যাম সহ দেয়া হতো। সেটার সাথে একটি ৬ মেগাবাইট ক্যাপাসিটির হার্ড ডিস্ক সহ অন্যান্য হার্ডওয়েয়ার তৈরি করা হয়। তাছাড়া, আইবিএম এর ঒ক ডেসকটপ সেটও এ সাথে আনা হয়। তো, বাংলাদেশের মূল কম্পিউটারিজড সিস্টেম উন্নয়নের শুরু হয় এই কম্পানি দ্বারা।

প্রথম কম্পিউটার প্রজেক্টগুলি

কম্পিউটার বিজ্ঞানে নতুন হওয়ার সময়গুলি খুব স্পেশাল। মূলত একটা কম্পিউটারের বিষয়ে জানতে যেকোনো ধরনের টিউটোরিয়াল, ভিডিও বা অনলাইনে যেকোন ধরনের গাইড পাওয়া যায়। কিন্তু শুরুতে শুরু করার জন্য নিয়মিত গেটওয়ে থাকা তথ্য জানা খুব গুরুত্বপূর্ণ, শুধু নতুন কিছু দেখলেই হয়তো অটকতে হবে। তবে কম্পিউটার এন্ট্রি বা শুরুতে নতুন হলেও, কিছু ইতিহাসপূর্ণ নোটও আছে।

প্রথম কম্পিউটার প্রজেক্টগুলির মধ্যে একটি হলো কনসেপ্ট ১, যা ১৯৪১ সালে জাক় কিলবোর্নের হুমবার্টন সি একসেপ্টস কমিটির হাতে রয়েছিল। এই প্রজেক্টের মূল উদ্দেশ্য ছিল কম্পিউটারের দ্বিতীয় জলরোধ প্রয়োগের জন্য। এছাড়াও, ম্যানহাটন প্রজেক্ট, একটি অসাধারণ যন্ত্রের প্রতিষ্ঠান সন্দর্ভে সামগ্রী সংগ্রহও এই সময়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রজেক্ট ছিল। দুটি প্রজেক্টই এর পূর্ববর্তী নথিভুক্ততাকে বুঝতে সাহায্য করেছে এবং কম্পিউটার বিজ্ঞানের ইতিহাসে অনেকটা গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত হয়।

কম্পিউটার আন্দোলন ও উন্নয়ন

ক্যারিয়ার শুরুর সময় কম্পিউটার সীমাহীন সম্পর্কের বিষয় ছিল না। এটা কেবল একটি প্রিয় চিত্রকলা আইটেম ছিল যা দেখতে আমরা ভালো লাগত। কিন্তু আজকাল কম্পিউটার না থাকলে সময় কেটে না। কম্পিউটার উন্নয়নের সাথে সাথে এটি উন্নয়নের স Bangladeshে পৌঁছায় এবং এটি এখন আমাদের জীবনের অপরিহার্য অংশ।

আজকাল একটি কম্পিউটার আর উইকি হলেই কাজ করা সম্ভব। আর এর আগে সম্ভব ছিল না। কম্পিউটার একটি সম্পূর্ণ পরিচ্ছন্ন, দক্ষ এবং সুবিধাজনক যন্ত্র যা আপনার জীবনসঙ্গী হতে পারে।

কম্পিউটার নয়, টেলিযোগাযোগ

কম্পিউটার আন্দোলন সময়ে, হয়তো একমাত্র কম্পিউটার বা ইন্টারনেট তথ্য প্রযুক্তি নয় যা পৃথিবীতে ব্যবহৃত হয়। টেলিকমিউনিকেশন আর নেটওয়ার্কিং ব্যবসায়িক ও সামাজিক স্তরে দ্বিতীয় অগ্রাধিকার পায়। অনলাইনে বার্তা পাঠানো, ভিডিও কল করা, হটলাইনে যোগাযোগ করা বা ফাইল ট্রান্সফার করা সহজলভ্য হয়েছে। এই ঠিকানায় আমরা প্রতিষ্ঠান থেকে কল করে বা একটি ডকুমেন্ট মেইল করেই কাজ শেষ করে ফেলতে পারি।

See also  ৬ষ্ঠ প্রজন্মের কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্য ও কম্পিউটারের ক্ষেত্রে ডিজিটাল সিগন্যাল উপযোগীতা

হার্ডওয়্যার কম্পিউটারের দরকার নেই, বরং আমরা ব্যবহৃত টেলিকমিউনিকেশন সরঞ্জামগুলি দ্বারা সহজে এই সুযোগগুলি অর্জন করতে পারি। একটি টেলিফোন সাধারণত সম্পূর্ণ কাজ করার জন্য যথেষ্ট হয়। অবশ্যই কম্পিউটারের উপরে আমরা একটি টেলিফোন সফটওয়্যার চালাতে পারি এবং একই সাথে একটি ভিডিও কল করতে পারি। সামনে থাকা প্রযুক্তির সাথে টেলিকমিউনিকেশন সেবা একটি অভিনব উন্নয়ন ঘটাচ্ছে এবং আসে একটি নিরাপদ ও সহজ সম্পৃক্ত সমাজে।

পাবলিক ও প্রাইভেট সেক্টরে কম্পিউটার ব্যবহার

কম্পিউটার ব্যবহার বিশ্বের প্রায় সব সেক্টরে হচ্ছে। খুব ছোট পাঠশালা থেকে শুরু করে বড় কোম্পানিসহ সবখানে ব্যবহার হচ্ছে কম্পিউটারের। বাংলাদেশে পাবলিক এবং প্রাইভেট সেক্টর উভয়ই কম্পিউটারের ব্যবহারে বেশি গুরুত্ব দেয়। পাবলিক সেক্টরে বিভিন্ন সরকারি দফতর, মেডিকেল সেক্টর এবং শিক্ষা সেক্টরে স্বাভাবিক ভাবে কম্পিউটার ব্যবহার করা হয়।

প্রাইভেট সেক্টরে ব্যবসার বিভিন্ন খাতে কম্পিউটার ব্যবহার করা হয়, যেমন ব্যাংকিং সেবা, কম্পিউটার গেমস, ডেভেলপমেন্ট ও নেটওয়ার্কিং সম্পর্কিত সেবা ইত্যাদি। এই সমস্ত সেক্টরে কম্পিউটারের ব্যবহার একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, যার মাধ্যমে নোংরা সমস্যা সমাদান এবং কাজের পারিস্থিতিতে উন্নয়ন সম্ভব হয়।

সরকারী প্রকল্প ও বিনিয়োগ

বাংলাদেশে কম্পিউটার আন্দোলন এবং উন্নয়ন কেন্দ্রিত হয়েছে এবং সরকার প্রকল্প এবং বিনিয়োগের মাধ্যমে এটি এখন সম্ভব হয়েছে। সরকারের প্রথম প্রকল্প হল আন্তর্জাতিক ইন্টারনেট গেটওয়ে যা ১৯৯৬ সালে আরম্ভ করা হয়। পরে সরকার অন্যান্য প্রকল্প যেমন ডিজিটাল বাংলাদেশ এবং একটি নিজস্ব প্রকল্প হল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের গঠন। সরকার এই প্রকল্পগুলি চালু করে প্রযুক্তি সেক্টরের উন্নয়ন ও জনগণের জীবনমান উন্নয়নের কাজ করে আসছে।

সুতরাং, সকল বিনিয়োগ ও প্রকল্প সবসময় জনগণের উপকারের দিক দেখে নিয়ে কাজ করে সরকার। কম্পিউটার আন্দোলন নানা গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে প্রযুক্তি প্রোডাক্ট উৎপাদনের চেষ্টা দেখা দেয়। এছাড়াও আরও উন্নয়নের আঙ্গুল হল শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, বাণিজ্য এবং কৃষি সেক্টরে। তাই, সরকারি প্রকল্প ও বিনিয়োগ সম্পন্ন হলে বাংলাদেশ প্রযুক্তি উন্নয়নে একটি নতুন স্তরে পৌঁছাবে।

কম্পিউটার টেকনোলজি সংক্রমণ ও উন্নয়ন

কম্পিউটার এখন একটি বাস্তব জীবন অংশ হিসেবে পরিচিত। এটি একটি প্রযুক্তি বিষয় যা দেশের সকল বিভাগে প্রবেশ করেছে। এই প্রযুক্তি প্রবেশের সাথে সাথে একটি উন্নয়ন আন্দোলন পরিচালিত হয়ে আসে। কম্পিউটার উন্নয়নের সাথে নতুন নতুন সফটওয়্যার এবং অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করা হয়ে আসে।

প্রযুক্তি সংক্রমণের ফলে কম্পিউটার শেষ নেই, বরং নতুন নতুন উন্নয়নে চলেছে। আধুনিক প্রযুক্তির সাথে যুক্ত হওয়া এই প্রযুক্তি এখন দেশের সবগুলো অংশে প্রবেশ করেছে। বিশেষতঃ প্রযুক্তির জ্ঞান বিভাগে নতুন নতুন যুবক তৈরি করা হয়ে আসছে। প্রযুক্তির উন্নয়ন ও সংক্রমণ দেশের প্রগতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে যত্ন সহকারে উন্নয়নে অবদান রেখে।

Leave a Comment