মার্ক-১ কম্পিউটার (Mark-1 computer) এর ইতিহাস ও বৈশিষ্ট্য।

মর্ক-১ কম্পিউটার হল দুনিয়া এর প্রথম ইলেকট্রনিক ডিজিটাল কম্পিউটার। এটি হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ওয়ারেন ওল্ডস এবং অক্টাভিয়া স্টিবেলস নেভানের নেতৃত্বে তৈরি করা হয়। এটি প্রথম বানানটি প্রক্ষেপের জন্য সি-প্যানেল ব্যবহার করে। এটি অক্টাভিয়া স্টিবেলস এর কথার মতে, “এটি বড় এবং ভারী ছিল এবং প্রচণ্ড খারাপ পরিচলনা করত।

উচ্চতর কমান্ডগুলি সরাসরি কম্পিউটারের সামনে দেওয়া যাবে না।”মর্ক-১ কম্পিউটারটি বেশ ভাল সফলতা লাভ করে। এটি ১৯৪৪ ও ১৯৫২ সালের মধ্যে ব্যবহার করা হয়েছিল। কম্পিউটারটি একটি দ্রুত কম্পিউটার ছিল, যা ৩৫ ফুট লম্বা ছিল এবং ১ টন ওজন ছিল।

এর আবিষ্কার নেতৃত্বে কিছু বৈশিষ্ট্য ছিল। যেমন, এটি গণনা করার সাথে সাথে সংরক্ষণ করত, এটি একসাথে পাঁচটি থেকে ছযটি কাজ করত এবং একটি তারকা পদক্ষেপ করত যার ফলে সকল চলচ্চিত্র পোস্ট পেইজ থেকে অপস্থিত হয়ে যেত।

মার্ক-১ কম্পিউটার কি?

মার্ক-১ কম্পিউটার হল প্রথম প্রোগ্রাম করতে পারা যাবে নির্দিষ্ট একটি কম্পিউটার। এই কম্পিউটারটি প্রথম আবিষ্কৃত হয় ১৯৪৫ সালের পরে জ্যামেস প্রেসপার্ড এবং হাওয়ার্ড এইকেন দ্বারা। এটি মৌলিকভাবে বিটএক্সেকিউট চালানো যেতে পারে এবং বেসিক কম্পিউটিং কনসেপ্টগুলি শিখানোর জন্য অত্যন্ত উপযুক্ত একটি উপকরণ। এটি হ্যার্ডওয়ার এবং সফটওয়্যার একটি সমন্বয়ে কাজ করে, এবং শেল এবং কার্নেল সস্তান এবং সহজ উন্নয়নের জন্য ডিজাইনকৃত হয়েছে।

একটি উন্নয়নশীল ও প্রাথমিক অণুকার্য কম্পিউটার খুবই সাধারণ এবং শিক্ষকদের কাছে হালকা ও উপকারী একটি পদক্ষেপ। আপনি এটি ব্যবহার করে প্রাথমিক প্রোগ্রামিং শেখার মাধ্যমে কম্পিউটার বোঝার উপর আপনার খুব ভালো ধারণা বিকাশ করতে পারেন।

মার্ক-১ কম্পিউটার এর উৎপত্তি

মার্ক-১ কম্পিউটার, বর্তমান সময়ের প্রথম কম্পিউটার হিসাবে মানা হয়। 1944 সালে বেল ল্যাবরেটরিজের একজন প্রফেসর জনার্ড অ্যাটানাসফ প্রথম আইডিয়া দিয়েছিলেন একটি যন্ত্র তৈরির জন্য। তখন এই মেশিনকে হিউম্যান কম্পিউটার বলা হতো, কারণ এতে মেশিনটি প্রেসফোয়েবল হতো না। 1945 সালে এই যন্ত্রটি প্রথম বাইনারি ডিজিট পরিচালিত কম্পিউটার হিসাবে রূপান্তরিত হয়।

এই কম্পিউটারটি প্রথম বাইনারি সিস্টেমে কাজ করে এবং প্রথম সংখ্যা গণনা করার জন্য । মার্ক-১ কম্পিউটারটি প্রথম বাইনারি কম্পিউটার ছিল, এটি আর্থদটি শব্দগুলি ব্যবহার করে কাজ করেনা। প্রথমত, এই কম্পিউটারটি বেশ বড় ছিল, সেজন্য তার সংকোচনীয় ক্ষমতা খুব না ছিল। এছাড়াও, এটি অত্যন্ত স্পর্শহীন ছিল এবং কাজ করার জন্য সময় সম্পন্ন করে নেয়ে একটি কম্পিউটার-প্রোগ্রাম লিখা প্রয়োজন ছিল।

সামগ্রিকভাবে, মার্ক-১ একটি লম্বা পথ ভঙ্গিতে এবং সাধারণ লোকের জন্য একটি ব্যবহারযোগ্য যন্ত্র হিসাবে বিক্ষোভযোগ্য ছিল।

মার্ক-১ কম্পিউটার এর সুযোগ ও সীমাবদ্ধতা

মার্ক-১ কম্পিউটার হল বিশ্বের প্রথম উচ্চ গতির ডিজিটাল কম্পিউটার। ইংরেজ ভাষার প্রথম বর্ণমালার আবিষ্কারক চার্ল্স ব্যাবেজ এবং ব্যাবেজ এর দলের সাথে একটি দল এই কম্পিউটারটি তৈরি করেন। এই কম্পিউটারে কোনও প্রোগ্রাম নেই এবং ইনপুট সাধারণত সুইচের মাধ্যমে এন্ট্রি হত। মার্ক-১ কম্পিউটারের সর্বাধিক সুযোগ হল একটি কাজ সম্পন্ন করার সময় প্রয়োগ করা যেত বিভিন্ন ধরণের স্থিতি।

মার্ক-১ কম্পিউটারের তরুণ দিনগুলি সীমাবদ্ধ ছিল। এই কম্পিউটারে সাধারণত একটি প্রোগ্রাম সম্পন্ন করার সময় কমপক্ষে ৩-৪ ঘন্টা ও লাগত। এছাড়াও এর কাছে মেমোরি বা স্টোরেজ সাধারণত খুব কম ছিল। এছাড়াও এর প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ খুব কম সংখ্যক ছিল এবং সংখ্যাগুলি ইংরেজি একক দ্বারা প্রকাশ করা হত।

সম্পূর্ণ উপরিচারে, মার্ক-১ কম্পিউটার বহুল সুযোগ সম্পন্ন ছিল, তবে এর সীমাবদ্ধতা খুবই বেশি ছিল যা আধুনিক কম্পিউটারের সাথে তুলনায় নেই। এছাড়াও এর বিদ্যুত খরচ একটু বেশি ছিল এবং এর প্রতিক্রিয়া সময় অনেক দ্রুত নয় ছিল। তবে, এই কম্পিউটার অবিশ্বাস্য একটি উদাহরণ ছিল, যা আধুনিক কম্পিউটারের উদ্ভব করেছে। আজকে এর পদক্ষেপ নির্ভর করে সকল মেগাকর্পোরে এবং বিশাল স্টার্ট-আপ কোম্পানিতেই নেওয়া হয়।

See also  কম্পিউটার অপরাধ বলতে কি বুঝায়?

মার্ক-১ কম্পিউটার কীভাবে কাজ করে

মার্ক-১ কম্পিউটার হল ইতিহাসের প্রথম গণনায়ক যা হাওর্ভার্ট এন্ড উইলসন এবং জয়ন মৌচলি দুজনের নেতৃত্বে তৈরি হয়েছিল। এই কম্পিউটারটি কেবল একটি অ্যালুমিনিয়ামের বাক্সে রয়েছে এবং তার ঘনত্ব প্রতি বিটে ৪০ পাউন্ড ছিল। মার্ক-১ কম্পিউটারটি প্রায় ১৯৫১ সালে বানানো হয় এবং এর প্রথম ব্যবহার করা হয় ১৯৫৫ সালে, একদল মহাবিদ্যার্থীদের জন্য জিয়ল ল্যাবরেটরিতে যারা কংক্রিটের দিয়ে তৈরি একটি বিশাল কম্পিউটার বহন করে বসে একটি নতুন উদ্যোগ শুরু করার জন্য। মার্ক-১ কম্পিউটারটি হাতে খড়ি হতে থাকতেই এবং সকল কাজ করতে হতো মেমোরি এবং পাঞ্চ হোল পাঞ্চ বাইট অপারেশনের সাপেক্ষে।

মার্ক-১ ইউনিভাকের বিভিন্ন হার্ডওয়্যার সমর্থিত নাকি আস্তে আস্তে পরিবর্তন হওয়া উচিত ছিল, আমরা এখন সেগুলো অত্যন্ত বেশি জানি এবং তাদের সাথে কাজ করতে পারি।

মার্ক-১ কম্পিউটার ও সফটওয়্যার উন্নয়নের ইতিহাস

মার্ক-১ কম্পিউটার হল তৃতীয় প্রজন্মের বিশ্বের প্রথম ইলেকট্রনিক ডিজিটাল কম্পিউটার। ১৯৪৫ সালে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টাফ ইংরাম, ওয়াল্টার হপকিংস এবং জন মকর্টি সহ একটি দল একটি কম্পিউটার উন্নয়ন করলেন যা বিধবসন্ধি ছিল মার্ক-১ নামে। এটি ক্ষুদ্র স্কেলের কম্পিউটার ছিল যা একটি বিশাল কক্ষ ও কিছুটা সময় নেওয়া বদলে স্টূপিডিটি এবং আর্গানিকালি নির্মিত এবং পাঞ্চটি সংখ্যাটি গণনা করতে পারত। যেহেতু মার্ক-১ কম্পিউটার প্রথম জন্মগ্রহন করেছিল তাই এটি সফটওয়্যারের ক্ষেত্রে একটি নতুন পাঠ্যক্রম স্থাপন করে।

এতে সফটওয়্যার নিয়ন্ত্রণ করার জন্য মেমোরি খুব খারাপ ছিল, সেইসাথে প্রোগ্রামকে সামনে টানতে এটি আবশ্যক ছিল এবং সফটওয়্যারের লোডিং এবং স্টোরেজের জন্য জটিল হার্ডওয়্যার এনভায়রনমেন্ট অবশ্যই ধারণ করা প্রয়োজন ছিল। এছাড়া কম্পিউটার প্রোগ্রামিং ভাষা না থাকার জন্য প্রোগ্রামিং কনসেপ্টটি উন্নয়নের কাছেও বড় চ্যালেঞ্জ ছিল। সুতরাং, মার্ক-১ কম্পিউটার একটি সুন্দর উন্নয়ন ছিল যা কম্পিউটার ও সফটওয়্যার উন্নয়নের একটি উৎকর্ষমূলক ধাপ ছিল। সফটওয়্যার এবং প্রোগ্রামিং ভাষার উন্নয়ন দ্বারা এটি আমাদের কম্পিউটার বিশ্বকে অনেকগুলি সুবিধা দিয়েছে।

এখন আমরা কোনো কম্পিউটার ব্যবহার করার জন্য আগে সফটওয়্যার উন্নয়ন করতে নাই, বরং পাওয়ার অন করে সেই সফটওয়্যারগুলি ইনস্টল করতে হয়। মার্ক-১ উন্নয়ন এমন একটি স্টেপ ছিল যা কম্পিউটার প্রযুক্তিতে একটি বিপরীত উত্স ছিল এবং বিশ্বে একটি অবশ্যই পরিবর্তন করে দিয়েছিল।

মার্ক-১ কম্পিউটার এর ইতিহাস

মার্ক-১ কম্পিউটার বিশ্বের প্রথম পার্সনাল কম্পিউটার হিসাবে পরিচিত। ১৯৭৫ সালে, মার্ক-১ এসএইচ বি তৈরি করা হয় এবং এটি শুরুতে কেবলমাত্র স্কুল ও বিশ্ববিদ্যালয়ে ব্যবহৃত হত। এটি কম্পিউটার সংস্কারে একটি পরিবর্তনকারী উদ্ভব ছিল এবং আধুনিক পার্সনাল কম্পিউটারের প্রথম ধাপ হিসাবে বিবেচিত হয়। স্বচ্ছ ইঞ্জিনিয়ারিং ও ডিজাইন এর উদাহরণ হিসাবে, এর বানান অবাক করার চেষ্টা না করে সেটি সাধারণ মানুষদের ব্যবহারের জন্য অনুকূল হয়।

এটি দক্ষতা এবং কার্যকরতা দুটির সাথে মিশে থাকত, এবং পার্সনাল কম্পিউটার সাধারণ মানুষের জীবনে একটি বৃদ্ধি এনে দেওয়ার জন্য একটি বিপুল ভূমিকা পালন করে।

মার্ক-১ কম্পিউটার এর উৎপত্তি এবং উদ্ভাবন

মার্ক-১ কম্পিউটার একটি মিল পরিকল্পনা ছিল যা কম্পিউটার ওয়ার্কশপ ইলিকট্রনিক্স কর্পোরেশন (CWE) দ্বারা 1944 সালে তৈরি করা হয়েছিল। মূল কাজ ছিল ওয়ার্ল্ড ওয়ার II এর জন্য একটি সঙ্কটসম্পন্ন উপকরণ তৈরি করা। একটি কম্পিউটার যা শূন্য, এক বা দুই শ্রেণীর অংক এবং গণিত প্রস্তুতির ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হত। এই কম্পিউটার সীমাবদ্ধ সার্কিট চেপের মাধ্যমে তৈরি করা হয়েছিল যা কিছু পানি এবং তান্ত্রিক মিটারের মাধ্যমে কাজ করত।

See also  CPU কি? সিপিইউ কে কয় ভাগে ভাগ করা যায়?

এটি একটি মিনিয়েচার বিষয় ছিল এবং এর গতি প্রতিমিনিটে এক থেকে দুই প্রসেসর ব্যবহার করে আবিষ্কৃত হয়েছিল। মার্ক-১ এর সামগ্রিক উদ্ভাবন বাস্তবতার একটি প্রমাণ।

মার্ক-১ কম্পিউটার এর বিশেষ উদ্দেশ্য এবং ব্যবহার

মার্ক-১ কম্পিউটার দুনিয়ার প্রথম পুকুর ছিল। ১৯৪৫ সালে এই কম্পিউটারটি টিন ম্যান এবং একটি বিজ্ঞানীদের সম্প্রদায়ের প্রযুক্তি দক্ষতার ফলস্বরূপ তৈরি হয়ে গেছে। মার্ক-১ একটি বিশেষ উদ্দেশ্য সম্পন্ন কম্পিউটার ছিল, যা একটি যন্ত্র হিসাবে ডিজাইন করা হয়েছিল যা অ্যাটমিক বোমা সম্পর্কিত সিমুলেশন করতে সক্ষম ছিল। এছাড়াও এই কম্পিউটারটি গণনা করার জন্য ব্যবহার করা হতো।

কম্পিউটারটি হ্যার্ভর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য তৈরি করা হয়েছিল এবং এটি বিশেষভাবে দীর্ঘকাল ব্যবহার করা যেত। এই কম্পিউটারের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হল এটি ডেটা স্টোর করতে পারে না। কিন্তু একটি বড় উন্মুক্ত রংমালা এই সমস্ত অভিজ্ঞতা সংরক্ষণ করে নেয়। মার্ক-১ কম্পিউটারের জন্য একটি স্পেশাল প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ এবং একটি বিশেষ অপারেটিং সিস্টেম ছিল।

এটি একটি সম্পূর্ণ অ্যাকুমুলেটর ছিল এবং এদের ইউজ মূলত গণনা এবং বিশ্লেষণের জন্য ছিল। মার্ক-১ কম্পিউটারের ব্যবহার বিশেষভাবে সাধারণ উদ্দেশ্যের জন্য নয়, কিন্তু বোমা সিমুলেশন সম্পর্কে একটি স্পেশালাইজ্ড উদ্দেশ্যের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ ছিল।

মার্ক-১ কম্পিউটার এর ফিচার এবং বৈশিষ্ট্য

মার্ক-১ কম্পিউটার এর ফিচার এবং বৈশিষ্ট্য বলতে সম্পূর্ণরুপে একটি প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটার বুঝানো হয়। ১৯৪৫ সালে তৈরি হওয়া এ কম্পিউটারে সাধারণত ২ থেকে ৩ বিট কোড ব্যবহৃত হয়ে থাকত এবং ১০০০ টি যুক্তি চালানোর ব্যাপারে বলে গণ্য করা হয়। এটি একটি বহুল শক্তিশালী কম্পিউটার ছিল যা সমান্তরাল গণনার জন্য ব্যবহৃত হত। চলতি টেপ ডিক জেনারেটর, কার্ড রিডার এবং কার্ড পাঞ্চের মাধ্যমে তথ্য ইনপুট করা হত এবং উত্পাদিত ডেটা হিসাব করা হত।

এই কম্পিউটারে প্রথম বাইনারি নম্বর সিস্টেম ব্যবহৃত হয়েছিল এবং এর কাজে ব্যবহৃত হয়ে থাকল ন্যূমেরিক চিত্রাংশ অথবা এনালগ সংখ্যা। মার্ক-১ একটি আদর্শ উদাহরণ ছিল যা অলকেসে কম্পিউটারের দেশে নিজেদের নাম করতে পারে।

মার্ক-১ কম্পিউটার তৈরি করার যাত্রা

মার্ক-১ কম্পিউটার একটি গুরুত্বপূর্ণ অবদান যা কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি ইতিহাসে করেছে। এটি প্রথম পূর্ণস্ক্রীন কম্পিউটার হিসাবে পরিচিত ছিল। কম্পিউটারের এই স্ক্রীন একটি উচ্চ তাপমাত্রার আড়ালে তৈরি হয়েছিল এবং এর জন্য একটি বিশাল কক্ষ প্রয়োজন ছিল। মার্ক-১ কম্পিউটার তৈরি করা সময়ে একটি দুর্ঘটনার কারণে প্রধান বিজ্ঞানী জন এলেন না।

কম্পিউটার ব্যবহারের সাথে সাথে বোঝা গেলো এটি দুর্দান্ত সাধনা ছিল। ফিলাস্টাইন ও হার্টলি কম্পিউটার প্রয়োগ করে একটি বেশ ভাল কম্পিউটার তৈরি করেছেন, কিন্তু মার্ক-১ কম্পিউটার একটি সাধারণ কম্পিউটার হিসাবে পরিচিত ছিল। মার্ক-১ কম্পিউটার সম্পর্কে শুরুতেই এটি একটি বিপুল যাত্রা ছিল। সাধারণ বিজ্ঞানী হলেও জেনিয়াস প্রোগ্রামার সমুহ দেখা হত।

এই প্রকল্পে নিযুক্তি পেলেও বিজ্ঞানীদের লাগবে বিশাল ফাঁদ এবং সর্বশেষ কম্পিউটার স্কিম। এইগুলি পেয়ে চলা ছিল একটি স্পেশালাইজ্ড সিএনএম এবং তাদের কাজ থেকে বেরিয়ে ওঠা হল আবশ্যক সমস্ত বিষয় সম্পর্কে। মার্ক-১ কম্পিউটার তৈরি করার গল্প শুরু হল একটি প্রবন্ধে সাম্প্রতিক কম্পিউটার তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পর্কে লেখা ছিল। এর সাথে সাথে আস্থা জনিত হয় এই প্রথম গার্বিত কম্পিউটারে।

এখনও পর্যন্ত মার্ক-১ কম্পিউটার কম্পিউটার-ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ অবদান করে থাকে।

Leave a Comment