সাইবার অপরাধ কী? চারটি সাইবার অপরাধের ব্যাখ্যা কর।

সাইবার অপরাধ হল একটি অপরাধ ধর্ম যা ইন্টারনেট এবং কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে সম্পর্কিত। এই অপরাধে আক্রমণ করা হয় ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের নিজস্ব তথ্য বক্সর সাথে, ইমেল হ্যাকিং, পর্দাফাশ এবং ইন্টারনেট ভিত্তিক প্রতারণা এবং কম্পিউটারের তথ্য সংগ্রহকারী হয়। এছাড়াও, সাইবার অপরাধের প্রকার অন্য ধরনের অপরাধের তুলনায় অনেক ভিন্ন হতে পারে, যেমন চুক্তিবদ্ধ ভিত্তিতে ঠিকানা অপসারণ, ফেইসবুক হ্যাকিং এবং নিজস্ব হোমপেজ যুক্তরাষ্ট্র সাইটের সাথে বিনিময় করা। সাইবার অপরাধ আধুনিক সম্প্রদায়ের একটি জনপ্রিয় বিষয় হয়ে উঠেছে এবং সাইবার অপরাধের বিরুদ্ধে সকল উন্নয়নের সাথে একটি দৃষ্টিকোণ রয়েছে।

সাইবার অপরাধ কি?

সাইবার অপরাধ হলো ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের বিভিন্ন ধরনের ধ্বংসকারী কাজের একটি ধরণ। যেমন অনলাইনে প্রচারিত কিছু ভালনাক বিষয়গুলিতে মানুষের স্বার্থ হলো না, তাদের হীন উদ্দেশ্যে কিছু ধ্বংসকারী কাজ করা। এছাড়াও ইন্টারনেট এর মাধ্যমে ক্রেডিট কার্ড থেকে টাকার পদচ্ছবি চুরি, কোন নিরাপদ সাইটে পর্যাপ্ত নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থার অভাব ইত্যাদি নিরাপদ ব্যবহারকারীর জন্য অনেক বিপদের কারণ হয়। সাইবার অপরাধ একটি সামান্য বিষয় না কেন, এর প্রভাব কিংবা এর কস্ট দৃষ্টিতে বেশ স্বল্প না।

সেই কারণে নিরাপদ ও সুরক্ষিত ইন্টারনেট ব্যবহার একটি দারুণ প্রয়োজনীয় বিষয়।

সাইবার অপরাধ সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত আলোচনা

আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে মানবজাতির সম্পর্কে অপারদর্শিতা বা সাইবার গোপনীয়তা সম্পর্কে উচ্চতর চিন্তাভাবনা হচ্ছে। সাইবার অপরাধটি ভিন্ন ধরণের কাজের সমন্বয় করে তৈরি হয়েছে, যা কোনও নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা সংস্থা বা সম্প্রদায় বা রাষ্ট্র বর্ণনা করতে পারে। এই ধরণের অপরাধ নিজেকে সামাজিক সংস্থায় বা রাষ্ট্রের সাথে বিপর্যস্ত করে দিয়ে দায় বহন করে। সাইবার অপরাধ ঘটাতে অনেক বিশেষ প্রযুক্তি প্রয়োজন, সেগুলির মধ্যে অতিরিক্ত সাধন হল কম্পিউটার, সংগঠন বা ওয়েব হয়ে থাকে।

সাইবার অপরাধের ধরনগুলি অনেক সময় বিভিন্ন ধরণের আইন বা আইনগুলির মধ্যে উপস্থিত হয়। সাইবার অপরাধ রোধ করতে জনগন একটি সম্পূর্ণ উন্নয়ন করে সহযোগিতা করতে হবে যাতে শীর্ষ সাংবিধানিক সুরক্ষা প্রদান করা যায়।

সাইবার অপরাধের বিভিন্ন ধরণের ব্যাখ্যা করুন

সাইবার অপরাধ হলো ইন্টারনেট এবং ডিজিটাল ডিভাইসে অপরাধ করা। এর বিভিন্ন ধরণের মধ্যে ফিশিং, হ্যাকিং, ভাইরাস রোগকে সহিংস করা, প্রতারণা, এবং পুর্নাঙ্গ বন্ধ করা ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। ফিশিং হলো একটি প্রকার অপরাধ যেখানে অপারদর ক্ষেত্রে অনেক সময় অপারদরের ইনফরমেশন সংগ্রহ করে ডিস্ট্রিবিউট করা হয়। হ্যাকিং একটি প্রকার অপরাধ যেখানে অপারদরের ডিভাইস হ্যাক করে উদ্দেশ্যবিহীন কাজে ব্যবহার করা হয়।

ভাইরাস রোগ একটি প্রকার সফটওয়্যার যা ডিভাইস বা ইন্টারনেটের মাধ্যমে প্রবেশ করে ব্যবহারকারীর ডাটা ধ্বংস করে দেয়। প্রতারণা হলো অন্য কে নির্যাতন করা, যা ইন্টারনেট ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে অনেক সময় হয়ে থাকে। পুর্নাঙ্গ বন্ধ করা একটি প্রকার হ্যাকিং যেখানে একটি সাইট বা সিস্টেমে অর্থনৈতিক লাভ করার উদ্দেশ্যে হ্যাক করে তাকে নির্বাচন বা মুক্তিযোগ দেওয়া হয়। সাইবার অপরাধের বিষয়বস্তুগুলি একটি সঠিক কি এবং যেভাবে তারা প্রভাবশালী হতে পারে তা জানতে হলে, সাইবার অপরাধগুলি একটি বিদ্যামুলক তাত্ত্বিক শিক্ষা লাগবে এবং সেটি সম্পর্কে জানতে হবে।

প্রথম ধরণ: ওয়েব হ্যাকিং এবং জেনারেল হ্যাকিং

ওয়েব হ্যাকিং এবং জেনারেল হ্যাকিং দুটি বিভিন্ন এলাকার হ্যাকিং সম্প্রসারণ অংশ সম্পর্কে কথা বলে। ওয়েব হ্যাকিং হল ওয়েব সাইট, এপ্লিকেশন বা সার্ভারের অথরিটি অপরতন সম্পদ হ্যাক করে এবং এর সেবাগুলি ধ্বংস করে দেয়। আশ্চর্যজনক মাত্রাতির জন্য ওয়েব হ্যাকিং অন্যতম ঘোরেঘুরির ক্ষেত্র হিসাবে পরিচিত। জেনারেল হ্যাকিং হল কম্পিউটার ও অন্যান্য ইলেকট্রনিক ডিভাইসগুলির একটি এলাকাকে হ্যাক করা।

হ্যাকাররা যে উদ্দেশ্যে জেনারেল হ্যাকিং করে তা সর্বসাধারণে অসৎ এবং প্রাথমিকতার স্তরে থাকে। তবে এটি এরকম গুরুত্বপূর্ণ উদ্দেশ্যে ব্যবহারও করা হয়, যেমন নাগরিক লাভ বা সাইবার যুদ্ধ প্রস্তুতি ইত্যাদি।

ওয়েব হ্যাকিং এবং জেনারেল হ্যাকিং এর ভিন্নতা সম্পর্কে আলোচনা করুন

ওয়েব হ্যাকিং এবং জেনারেল হ্যাকিং এই দুটি হ্যাকিং নমুনার ভিন্ন ধরন। ওয়েব হ্যাকিং হল ওয়েবসাইট বা ওয়েব অ্যাপ্লিকেশনকে আপনার লাভে সম্পাদন করার জন্য একটি হুমকির দলের দ্বারা হ্যাকিং করা। জেনারেল হ্যাকিং উত্তম ভাবে একটি সিস্টেমে প্রোটেকশন সংক্রান্ত পরীক্ষা করতে সক্ষম হয়। জেনারেল হ্যাকিং সিস্টেম, নেটওয়ার্ক, software, এবং ডাটাবেজ এবং পাসওয়ার্ড এর জন্য হতে পারে।

এই দুটি একই সমস্যার জন্য প্রধানতঃ সিকিউরিটি জন্য দায়ী হয়। ওয়েব হ্যাকিং হল মূলত ওয়েবসাইট থেকে যানবাহন, পর্যটন এবং ব্যবসায় সেবা দেয়া এড়িয়ে লাভের দিকে প্রচালিত পদক্ষেপ নেয়া। আর জেনারেল হ্যাকিং হল প্রধানতঃ সিস্টেম এবং নেটওয়ার্ক পরীক্ষা করতে ব্যবহৃত। সেবা বা সফটওয়্যার নিশ্চিত করার জন্য সিস্টেম এবং নেটওয়ার্ক মোটামুটি ভুলবুদের জন্য পরীক্ষা করা হয় এবং ক্ষুল্লস করা হয় যদি প্রয়োজন।

এর মাধ্যমে সিস্টেম সিকিউর এবং নেটওয়ার্ক প্যাচ করা হয়। কোনও হ্যাকিং হল না তা নিশ্চিত করে সার্ভার স্থিতিশীল প্রয়োজন হলেও জেনারেল হ্যাকিং ওয়েব হ্যাকিং এর মতো নয়।

ওয়েব হ্যাকিং এবং জেনারেল হ্যাকিং এর প্রধান উদ্দেশ্য ব্যাখ্যা করুন

ওয়েব হ্যাকিং এবং জেনারেল হ্যাকিং হলো এমন একটি পদের গুরুত্ব যা আজকের দিনে দীর্ঘদিন ধরে পরিচিত হয়ে ওঠে। প্রধানতঃ, ওয়েব হ্যাকিং হল ওয়েবসাইট বা ডিজিটাল প্রযুক্তিতে খোঁজ করে উপস্থিত নির্দষ্ট সিস্টেমে লগ ইন করতে পারা যায় এবং সেটিকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারা যায়। একটি ওয়েবসাইট হ্যাক করা হলে সেটি ধীরে ধীরে নির্দষ্ট সিস্টেমের নিম্নলিখিত লক্ষ্য গুলো অরিজিনাল অবস্থা থেকে নিখেঁজ করে গোপন তথ্য পেতে পারে: গোপনীয়তা বা ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত তথ্য।

See also  ভিস্যাট (VSAT) কি? ভিস্যাট এর সুবিধা কি?
আবার জেনারেল হ্যাকিং ফাংশনালিটি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত সিস্টেমে প্রবেশ করতে পারে এবং এটি প্রায় সমস্ত সফটওয়্যারে উপস্থিত।

এটি অথরিটির সিস্টেম, সরঞ্জাম, আপনার দক্ষতা এবং সেটিংসের উপর নির্ভর করে। এটি আপনার উপর নিখুঁতভাবে নির্ভর করে এবং উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন করতে পারে যেমন আপনার কম্পিউটারে ফাইলের ডোমেইন নোট। বিস্তারিত বলতে গেলে, ওয়েব হ্যাকিং এবং জেনারেল হ্যাকিং দুটি ধারণা একই না। একটি ওয়েবসাইট হ্যাকিং হলো কেবল ওয়েব সাইট বা ডিজিটাল প্রযুক্তি সম্পর্কিত হকারি, যার শিকার হয়ে তাদের গোপনীয় তথ্য চুরি করা হয়েছে বা কোন দুর্নীতি এবং জেনারেল হ্যাকিং হল সুষম তথ্য বা কম্পিউটার সিস্টেমে হচ্ছে।

তাই এই দুটি ধারণা মনে রাখতে হবে ভিন্ন এবং উভয়ই অতিরিক্তভাবে গুরুত্বপূর্ণ হক।

দ্বিতীয় ধরণ: ম্যালওয়্যার এবং ভাইরাস

ম্যালওয়্যার এবং ভাইরাস হল একই ধরণের কম্পিউটার ফাইল। ম্যালওয়্যার হল একটি কম্পিউটার সফটওয়্যার যা দুষ্টু কাজ করতে পারে। সাধারণত ম্যালওয়্যার ব্যবহারকারীর অনুমতি ছাড়াই কম্পিউটারে স্থাপিত হয়। এর মধ্যে শামিল হতে পারে ট্রোজান হর্স, রুটকিট, স্পাইওয়্যার এবং অন্যান্য দূর্জনীয় কাজগুলো।

ভাইরাস সুতরাং একটি ধরণের ম্যালওয়্যার এবং এটি নিজের অধিকারে লাইসেন্স নেই। এর মধ্যে শামিল হতে পারে ট্রোজান, ওয়ার্ম, রুটকিট এবং ভাইরাস এবং অন্যান্য কাজগুলো। তাই কম্পিউটার ব্যবহারকারীরা নির্লজ্জেকর দ্বারা ম্যালওয়্যার সংক্রান্ত ধারণা অবলম্বন করতে হবে এবং অনিষেধ ও পুনরাবৃত্তি বিষয়গুলি এড়িয়ে দিতে হবে।

ম্যালওয়্যার এবং ভাইরাস কি?

ম্যালওয়্যার এবং ভাইরাস একই নয়। ম্যালওয়্যার হল কম্পিউটারের একটি অস্থিরতা যন্ত্রপাতি যা খুবই খাপ বা কমপক্ষে সামান্য ভুলো কাজ করতে পারে। এটি আমাদের কম্পিউটারের সমস্ত তথ্য অধিগ্রহণ করতে পারে এবং অপরিষ্কার কাজ করতে পারে। আপনি যখন একটি অর্গানাইজেশনের জন্য কম্পিউটার ব্যবহার করেন তখন এটি আপনার তথ্য সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য ব্যবহৃত হতে পারে এবং আপনার কম্পিউটার থেকে আপনার ব্যক্তিগত তথ্য চুরি করতে পারে।

ভাইরাস হল অন্য একটি অস্থিরতা যন্ত্রপাতি যা কম্পিউটারের পরিবেশগুলি আক্রমণ করতে পারে। এই পরিবেশগুলি আপনার কম্পিউটারের সমস্ত তথ্য অধিগ্রহণ করতে পারে এবং কমপক্ষে সিস্টেমের ধারণ নেওয়ার জন্য ব্যবহৃত হতে পারে। তবে এটি শুধুমাত্র কম্পিউটারের সমস্ত তথ্য চুরি করতে পারে না, এটি কম্পিউটারের সিস্টেম ফাইলগুলিতে সমস্যা উত্পন্ন করতে পারে এবং সামান্য প্রদর্শনক্ষমতা সৃষ্টি করতে পারে। সার্বজনীনভাবে বলা যায় যে ম্যালওয়্যার ভাইরাসের চেয়ে একটি নিশ্চিততামূলক অপদক্ষতার উপসর্গ।

ম্যালওয়্যার এবং ভাইরাসের উদ্দেশ্য এবং ধরণ নির্দিষ্ট করুন

ম্যালওয়্যার এবং ভাইরাস প্রধানতঃ কম্পিউটার বা মোবাইল ডিভাইসের জন্য ডিজাইন করা হয়ে থাকে। ম্যালওয়্যার সাধারণত একটি প্রোগ্রাম, যা সহজে ইনস্টল করা যায় এবং মোবাইল বা কম্পিউটারের সেটিংস, ফাইল সিস্টেম এবং অ্যাপসের তথ্য অপসারণ করতে পারে। আর ভাইরাস সাধারণত ম্যালওয়্যারের সমান কাজ করে তবে এর বৈশিষ্ট্য হলো এটি স্বয়ং একটি ফাইল হিসেবে লেখা হয়ে থাকে এবং সেটি অন্য ফাইল বা কম্পিউটারে ছড়িয়ে যেতে পারে। ম্যালওয়্যার এবং ভাইরাসগুলির উদ্দেশ্য অস্থায়ী বা স্থায়ী ভাবে একটি অনুকূল পরিবেশ তৈরি করে তাদের অপসারণকারীদের জন্য।

অপসারণকারীদের নাম হতে পারে হ্যাকারস, নাইজস বা সরকারি সংস্থার কর্মকর্তারা। ম্যালওয়্যার এবং ভাইরাসগুলির ধরণ স্বয়ংক্রিয় এবং যে প্রকারে সাধারণ কম্পিউটার বা মোবাইল ব্যবহারকারীদের জন্য সংক্রান্ত। মনে রাখবেন, ম্যালওয়্যার এবং ভাইরাসের একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো এরা আপনার সিস্টেমে খোলা একটি দরজা সংক্রান্ত হয়ে থাকে যা সামগ্রিক অপসারণের জন্য ব্যবহৃত হতে পারে।

তৃতীয় ধরণ: ফিশিং এবং স্পিয়ারওয়্যার

ফিশিং এবং স্পিয়ারওয়্যার হলো এমন একটি ধরণের কম্পিউটার হ্যাকিং যা কমপক্ষে দুটি ক্ষেত্রে এটি ব্যবহৃত হয়। ফিশিং হল একটি প্রক্রিয়া যা একটি ব্যবহারকারীকে একটি ভালো কাজ করতে বা তাঁর ব্যক্তিগত তথ্য জড়িত করতে বলে বন্ধুত্বপূর্ণ একটি নিকটবর্তী ওয়েবসাইটে পাঠানো হয়। অন্যদিকে, স্পিয়ারওয়্যার হলো একটি কম্পিউটার প্রোগ্রাম, যা ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত তথ্যগুলি হ্যাকারদের নিয়ন্ত্রণে রেখে উদ্দেশ্যবিদ্ধ কাজে ব্যবহৃত হয়। এই বিষয়টি কার্যকরী করে ব্যবহারকারীদের ডাটা চুরি করার জন্য সেরা উপায় হিসাবে ব্যবহৃত হতে পারে।

তবে, সতর্ক থাকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ, সুতরাং এই ধরণের হ্যাকিং প্রয়োজনীয় সাবধানতা সংগ্রহ করা প্রয়োজন।

ফিশিং ও স্পিয়ারওয়্যার দুটি সাইবার অপরাধি এর বিভিন্নতা সম্পর্কে আলোচনা করুন

ফিশিং এবং স্পিয়ারওয়্যার এমন দুটি সাইবার অপরাধী যারা ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের কম্পিউটার সিস্টেমে বিভিন্ন সমস্যা সৃষ্টি করে। ফিশিং একটি সাইবার অপরাধ যেখানে একটি প্রেরিত মেসেজের মাধ্যমে একটি ইউজারকে প্রতারিত করা হয়। বিশ্বব্যাপীভাবে ফিশিং হল একটি মারাত্মক সাইবার অপরাধ। স্পিয়ারওয়্যার একটি সাইবার অপরাধ যা একটি কম্পিউটারে ইনস্টল করা হয় এবং হার্ডওয়্যার বা সফটওয়্যারে নিখেলে একজন হ্যাকার ইউজারকে নিজের নিয়ন্ত্রনে নেওয়ার সুযোগ পায়।

এদের মধ্যে একটি উপইয়া দেওয়া যাক ফিশিং একটি অন্যতম। ফিশিং সাইটে লগ ইন বা অ্যাকাউন্ট সম্পর্কিত তথ্য উল্লেখ করতে প্রস্তুতি নেওয়া হয় কিন্তু তদন্ত যায় যেভাবে একটি প্রতারকর সাইট একজন ব্যবহারকারীকে প্রতারিত করে সেটি খুবই কার্যকরী। স্পিয়ারওয়্যার অপরদ্বয়, আবার সিস্টেমের প্রত্যক্ষ নিয়ন্ত্রণ থেকে অপসারণ করে ব্যবহারকারীকে হাকিং করার জন্য ব্যবহৃত হয়। এর মাধ্যমে হ্যাকার ব্যবহারকারীর প্রিভেট ডাটা ফাঁস করতে পারে এবং ব্যবহারকারীর প্রতিবেদন বা নিজস্ব তথ্য সংগ্রহ করতে পারে।

বিভিন্নতার দিক দেখে দেখা যায় ফিশিং আর স্পিয়ারওয়্যার দুটি উপহার পকেট করে নিজেকে ব্যবহারকারী আপনার সাইবার নিরাপত্তার জন্য সুমহোদ্ করুন।

ফিশিং এবং স্পিয়ারওয়্যারের উদ্দেশ্য এবং ধরণ ব্যাখ্যা করুন

ফিশিং এবং স্পিয়ারওয়্যার একটি কম্পিউটার সিকিউরিটি উপাদান, যা ইন্টারনেট ব্যবহার করে কম্পিউটার বা ইমেইল একাউন্ট হ্যাক করতে ব্যবহার করা হয়। একটি ফিশিং আকর্ষণ দিয়ে ব্যবহারকারীদের সম্প্রসারিত আইডি এবং পাসওয়ার্ড সংগ্রহ করে নিজের সাইটে লগ ইন করে ব্যবহারকারীদের সম্প্রসারিত আইডি এবং পাসওয়ার্ড দিতে পারে। স্পিয়ারওয়্যার সাধারণত ট্রয়ান নামে পরিচিত, কোনও জনপ্রিয় সফটওয়্যার বা ভাইরাস মধ্যে একটি ফাঁদ। যখন ব্যবহারকারীর উইন্ডোজ উত্স কোড চলার সাথে সাথে, স্পাইওয়্যার বিভিন্ন কম্পিউটার কাজ করে এবং ব্যবহারকারীর ব্যবহার উপর নজর রাখে।

See also  ওয়েব হোস্টিং (Web hosting) বলতে কী বোঝায়?

ফিশিং এবং স্পিয়ারওয়্যার ব্যবহার করা হয় সুস্থতা উন্নয়ন ও গোপনীয়তা সংরক্ষণ করার জন্য।

চতুর্থ ধরণ: ক্রাইম স্প্যাম এবং ডেনিয়াল অব্যবহারভাবিত সম্পদ

ক্রাইম স্প্যাম এবং ডেনিয়াল অব্যবহারভাবিত সম্পদ দুইটি একই ধরনের সমস্যা। ক্রাইম স্প্যামগুলি হল খাঁচার কোন অংশে প্রবেশ করে, যে খাঁচার ব্যবহারকারী সতর্ক না থাকলে খাঁচা ভাঙ্গতে পারে। এসব স্প্যামগুলি আমরা প্রায়শই রিসি ইমেল, ম্যালওয়ার এবং সহজ মিষ্টি সঙ্গে দেখতে পাচ্ছি। এই ধরণের স্প্যাম আমরা সাধারণতঃ এইমাত্র দেখি না যে এটি কতটা ক্ষতিকর।

এর ছাপ ফোন, কম্পিউটার বা ইন্টারনেট ব্যবহার করা কঠিন বা নিষ্পত্তির সময়কাল প্রবল। আর ডেনিয়াল অব্যবহারভাবিত সম্পদ একটি অন্য ধরণের সমস্যা। এটি মানে হয় সেই সম্পদ যা কিনা ব্যবহার করা হয় না বা ব্যবহার করা উচিত নয়। এই অব্যবহারের কারণে নষ্ট হওয়া সম্ভব তাই সাবধান থাকা প্রয়োজন।

উদাহরণস্বরূপ, যদি আপনি সম্পত্তি কিনে ফেলেন যা আপনার চাইতে কম দামের হয়েছিল তবে সেই সম্পত্তি সত্যিকারের সম্পত্তি ছিল কি না সেটি লক্ষ্য করা ও জানা উচিত। চতুর্থ ধরনের সমস্যাসমূহ হল সরল নয়, তাই এই সমস্যাগুলির সমাধানের জন্য সুসমূহ পদক্ষেপ গ্রহণ করা প্রয়োজন। আমাদের প্রথমত বুঝতে হবে যে সমস্যাটি কি তারপর ওয়েব সার্ভিস প্রদানকারী কোম্পানির সাথে যোগাযোগ করে দুইদিনই সমস্যার সমাধান হওয়া সম্ভব। অব্যবহারভাবিত বা ক্রাইম স্প্যাম সম্পদ নিয়ে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে এবং ঘটনা বা সমস্যা আছে তা লক্ষ্য করতে হবে।

এদের পরিষ্কার ব্যবস্থা না থাকলে সমস্যাতে অর্থ, সময় ও শ্রম একসাথে নষ্ট হতে থাকে।

ক্রাইম স্প্যাম এবং ডেনিয়াল অব্যবহারভাবিত সম্পদ সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত আলোচনা করুন

ক্রাইম স্প্যাম এবং ডেনিয়াল অব্যবহারভাবিত সম্পদ এই দুইটি পরিষেবা সম্পর্কে শোনা দেখা একজন কম্পিউটার ইউজার জন্য খুবই সহজ। ক্রাইম স্প্যাম হল ইমেইল এর মাধ্যমে প্রেরিত ধর্ষণ বা লভ্যবান কাজের বিষয়বস্তু যা জনগণ কে ঠকিয়ে ধরে নেওয়া হয়। ডেনিয়াল অব্যবহারভাবিত সম্পদ হল একটি নথি বা একটি স্মার্টফোন যা অবৈধ উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হয়। ক্রাইম স্প্যাম থেকে বাঁচা কঠিন হতে পারে কারণ এটি একটি সাধারণ ইমেইল থেকে পরে এসে লোকের কম্পিউটারে ভেরুস বসানো যেতে পারে।

আর ডেনিয়াল অব্যবহারভাবিত সম্পদ প্রয়োজনীয়তা ছাড়াই স্মার্টফোন থেকে আপনার ব্যক্তিগত ঀতথ্যগুলি চুক্তিবদ্ধ করে সংরক্ষণ করে রাখা যায়, তবে এটি হ্যাকিং থেকে আপনার তথ্যসূত্র নিখুঁত করতে পারে না। সুতরাং আমরা সবাই এই ধরণের প্রয়োজনীয়তা বুঝে একটি নিরাপদ ও সুরক্ষিত কম্পিউটার ব্যবহার করতে হবে যাতে আপনার ব্যক্তিগত উপস্থিতি একটুখানি আপনার মত ৷৷৷

ক্রাইম স্প্যাম এবং ডেনিয়াল অব্যবহারভাবিত সম্পদ থেকে ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও প্রতিরক্ষা করার উপায় যা আপনার সম্মতিতে উল্লেখ করা হয়েছে

ক্রাইম স্প্যাম এবং ডেনিয়াল অব্যবহারভাবিত সম্পদ থেকে ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও প্রতিরক্ষা করার জন্য একটি উপায় হল বিশ্বস্ত কর্তব্যপরায়ণতা। ঐতিহ্য সংরক্ষণ এবং প্রতিরক্ষা একইসাথে হয়। কোন প্রাচীন স্থাপত্য বা ঐতিহ্যকে প্রাণ দেওয়ার জন্য আমরা তা সংরক্ষণ করে রাখতে হব। প্রথমেই, যদি কোন অপরাধ হয়, তখন নিজেকে কর্মসূচীতে রেখে এই অপরাধের জন্য নির্দিষ্ট কর্মকর্তাদের সাহায্য করতে হবে।

তাদের সাহায্যে অপরাধীদের সন্ধান করতে হবে এবং সন্ধান করার জন্য নাম, ঠিকানা এবং অন্যান্য প্রমাণপত্রসমূহ সার্চ করতে হবে। এছাড়াও, অপরাধ রোধের জন্য নিরাপদ জনসম্পদ বা ঐতিহ্য সংরক্ষণের জন্য হাতের মুঠোয় উপস্থিত থাকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ঐতিহ্য সংরক্ষণের জন্য অধিকাংশ ধর্মীয় জটিলতার জন্য আমাদের ফুল গাছ ব্যবহার করা উচিত। ফুল এক অন্যান্য উপযোগিতা হল নিরাপদ জনসম্পদ বা ডেনিয়াল অব্যবহারভাবিত সম্পদ সংরক্ষণে।

এটি নিরাপদ তথ্য উন্নয়নে প্রযোজনীয় প্রমাণপত্র হিসাবে কাজ করে এবং সাথে সাথে নির্দিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছে পৌঁছে যায়। তবে কর্মকর্তাদের ওপর নির্ভর করতে হবে তাদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার মাধ্যমে। তাই, একটি সম্পূর্ণ এবং ভাল প্রশিক্ষণ প্রদানে সময় দেওয়া উচিত। এছাড়াও, নির্দিষ্ট সময় অনুমতি দেওয়া যেতে পারে অথবা একটি ভূমিকা লেখার মাধ্যমে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করার সুযোগ দেওয়া যেতে পারে।

এছাড়াও, নিরীহ বা অধমরা বন্ধুদের উপর নিরাপদ থাকার জন্য একটি নিরাপদ অঞ্চল সৃষ্টি করা উচিত। এই ভাবে, ক্রাইম স্প্যাম এবং ডেনিয়াল অব্যবহারভাবিত সম্পদ থেকে ঐতিহ্য সংরক্ষণ এবং প্রতিরক্ষা করা যায়।

কবিরাজের চিঠি

কবিরাজের চিঠি একটি অসাধারণ নিবন্ধ, যা আমাদের জানা উচিত কবি কাজী নজরুল ইসলামের বাৎসলয় জীবন কেমন ছিল। এই নিবন্ধে কবিরাজ জন্য একটি আনন্দদায়ক সময় ছিল যখন এর লেখক টেকসপ্টে কবির প্রতি তাঁর গভীর শ্রদ্ধা প্রকাশ করেন। এতো বছর ধরে আমরা কবিরাজের কথা শুনে থাকি, কিন্তু না জানলেও এটি জানতে হবে কবিরাজ কেমন ছিলেন। সবচেয়ে বিশেষ হলো এর অন্যতম বুদ্ধিমান হওয়া।

এছাড়াও আপনি জানতে পারেন কবিরাজ ইতিহাসে যে একটি সম্পদ্ ও একজন একটি নেতা ছিলেন। আমরা কবিরাজের জন্মদিন উপলক্ষে একটি স্পেশাল নিবন্ধ তৈরি করেছি যা আপনাদের একটি পরিনতি দিতে পারে।

Leave a Comment